বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
আপনি গুলি করলে আমরা কি বসে থাকব: বিএসএফ-কে বিজিবি প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা, চারু ও কারুকলা অন্তর্ভুক্ত করছে সরকার প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের সীমান্তে প্রতিবাদী সমাবেশ ও শাহবাগে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক ১১ দলের হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু আদ্-দ্বীনের শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট নই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শুক্রবার ঢাকায় আসবেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক জুড়তে লেবাননের প্রতি হিজবুল্লাহর আহ্বান ১৭ হাজার ৩৩ কোটি টাকার জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত অনশন অব্যাহত রাখবেন ইবতেদায়ী শিক্ষকরা

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে সই হবে ৩ সমঝোতা স্মারক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
সংগৃহীত ছবি

জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লি সফরকালে তিনটি সমঝোতা স্মারক সই হবে। এরমধ্যে অন্যতম হচ্ছে, টাকা ও রুপির লেনদেন সহজ করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ও ভারতের এনপিসিআই’র মধ্যে সমঝোতা।

আজ বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লি সফর উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যে তিনটি সমঝোতা স্মারক হলো—কৃষি গবেষণা ও শিক্ষা সহযোগিতা, সাংস্কৃতিক চুক্তির মেয়াদ ২০২৩ থেকে ২৫ পর্যন্ত বাড়ানো এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনপিসিআইর মধ্যে সমঝোতা স্মারক।

তিনি বলেন, ভারতের এনপিসিআই ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হলে দুই পক্ষের মধ্যে নেটওয়ার্ক-টু-নেটওয়ার্ক সংযোগের মাধ্যমে রুপি-টাকায় পারস্পরিক লেনদেনের কাজ সহজ হবে।

প্রধানমন্ত্রী ৮ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য দিল্লি যাবেন। সেখানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হবে। এছাড়া সম্মেলনের সাইডলাইনে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স, আর্জেন্টিনা, দক্ষিণ কোরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা আছে। তিনি দিল্লিতে বাংলাদেশের হাঁড়িভাঙা জাতের আমের চারা রোপণ করবেন।

নির্বাচন নিয়ে আলোচনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকে সব ধরনের দ্বিপক্ষীয় বিষয় আলোচনা হবে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি জানি না। আমরা যেটি চাই আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা। আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য। আমরা কোনও কারচুপি চাই না।

মোমেন বলেন, ‘আমরা স্বচ্ছ ও সুন্দর নির্বাচন চাই। সেখানে কেউ যদি আমাদের দিকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়, সেটিকে আমরা স্বাগত জানাই। তবে কেউ যদি মাতব্বরির ভূমিকা নিয়ে আসে, আমরা সেটি সহ্য করবো না। আমরা স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা কাউকে ভয় পায় না।’

টিএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ