বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
দেশে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাণিজ্যমন্ত্রী বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠলো ইরানের কেশম দ্বীপ আপনি গুলি করলে আমরা কি বসে থাকব: বিএসএফ-কে বিজিবি প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা, চারু ও কারুকলা অন্তর্ভুক্ত করছে সরকার প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের সীমান্তে প্রতিবাদী সমাবেশ ও শাহবাগে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক ১১ দলের হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু আদ্-দ্বীনের শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট নই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শুক্রবার ঢাকায় আসবেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক জুড়তে লেবাননের প্রতি হিজবুল্লাহর আহ্বান

পুলিশ হত্যা ও অস্ত্র হারানোর ঘটনার তদন্তের দাবি ফজলুর রহমানের 

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিগত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে সংগঠিত পুলিশ হত্যা, থানা লুট ও অস্ত্র হারানোর ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান। জাতীয় সংসদে ফজলুর রহমান এসব ঘটনার যথাযথ তদন্ত ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবে আলোচনায় অংশ নিয়ে এ দাবি জানান ফজলুর রহমান।

অধিবেশনে পুলিশের ওপর হামলার প্রসঙ্গ টেনে ফজলুর রহমান বলেন, পুলিশের ব্যাপারে যে ইনডেমনিটি দেওয়া হয়েছে। ৫ই আগস্টের পরে যে থানা লুট হয়েছে, পুলিশ হত্যা হয়েছে, তারা তো তখন যুদ্ধ করেনি, তারা তো নিরপরাধ। এত অস্ত্র গেল কোথায়? ৫ই আগস্টের পরে যে ঘটনাগুলো হয়েছে সেগুলো তো কোনো আইনে ইনডেমনিটি পাওয়ার কথা না। সেটার জন্য তদন্ত হওয়া উচিত।

চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে ৫ আগস্টের পরবর্তী দিনগুলোতে দেশের বিভিন্ন স্থানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ওপর নজিরবিহীন হামলা ও থানাগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র লুট হওয়ার ঘটনাটি ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। পুলিশের পক্ষ থেকে দায়িত্ব পালনকালে নিরাপত্তা ও আইনি সুরক্ষার বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনায় থাকা অবস্থায় সংসদ সদস্যের এই বক্তব্য নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে, সরকারি স্থাপনা ও জননিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশ বাহিনীর ওপর হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনার দাবিটি অধিবেশনে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়েছে।

ফজলুর রহমান বলেন, আমি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ছিলাম, মাননীয় স্পিকার আপনি বীর বিক্রম ছিলেন। ১৬ই ডিসেম্বরের পরে শত শত রাজাকার আমার কাছে আত্মসমর্পণ করছে। আমি কাউকে হত্যা করিনি। সবাইকে জেলে পাঠিয়ে দিয়েছি। তার বিচার হবে। আমার কথা হলো ৫ই আগস্ট ২০২৪ সালের পরে এই যে এত থানা লুট হইছে, এত পুলিশকে হত্যা করা হইছে, তারা তো তখন যুদ্ধ করেনি। তারা তো নিরপরাধ। এত অস্ত্র গেল কোথায়? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিশ্চয়ই আমার নেতা। উনিও শুনছেন। আমি কথাগুলো বলছি ৫ই আগস্টের পরে যে ঘটনাগুলো হইছে সেগুলো তো কোনো আইনে ইমিউনিটি পাওয়ার কথা না। যদি ৫ই আগস্টের পরে কোন পুলিশ হত্যা হয়ে থাকে, থানা লুট হয়ে থাকে, অস্ত্র নিয়ে থাকে সেটার জন্য তদন্ত হওয়া উচিত। তো সেটার বিচার হওয়া উচিত। আর ৫ই আগস্টের আগে পুলিশ যা করেছে তারা রাষ্ট্রীয় বাহিনী। তারা যদি অন্যায় করে থাকে বা মরে গেছে, বিচার হোক। কিন্তু আমি মনে করি তারা এই দেশের নাগরিক।

তিনি বলেন, পুলিশের মা-বাবা, তাদেরও সন্তান আছে, রাষ্ট্র তাদের কাছে গিয়ে বলা উচিত, তোমার সন্তান যদি নিহত হয়ে থাকে আমরা তোমাদেরকে দেখব। পুলিশের এই আইনের ব্যাপারে, আমার এই কথা ছিল। 

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ