বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৫ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
লাইসেন্স বাতিলের প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রোগীর স্বজনদের বিক্ষোভ বিতর্কিত শিবমূর্তি অপসারণের দাবিতে রাজধানীতে খেলাফত আন্দোলনের বিক্ষোভ সাবেক এমপি বাহারের বক্তব্যের প্রতিবাদ, দেশে এনে বিচারের দাবি আলেমদের প্রস্তাবিত বাজেট ঋণনির্ভর ও উচ্চাভিলাসী: খেলাফত মজলিস আশাবাদে ভারাক্রান্ত সুলিখিত বাজেট, বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ: ইসলামী আন্দোলন কুমিল্লা ও নগরকান্দায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত হিল্লার নামে ‘পাতানো বিয়ে’ কবিরা গুনাহ: মাওলানা আজহারী বৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ, দ্রুত অপসারণ চান পীর সাহেব মধুপুর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চায় ইসলামী আন্দোলন প্রাথমিক শিক্ষায় নাচ-গান ও নাটক অন্তর্ভুক্তির প্রতিবাদে মহিলা মজলিসের সমাবেশ

লন্ডনে যৌথ প্রেস ব্রিফিং, প্রধান উপদেষ্টার নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ণ হয়েছে: জামায়াতে ইসলামী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

লন্ডনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠক শেষে যৌথভাবে এক প্রেস ব্রিফিং ও বিবৃতি দেওয়াকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক রীতি থেকে বিচ্যুতি হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা নিরপেক্ষতা রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন এবং একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রতি পক্ষপাতিত্বের ইঙ্গিত দিয়েছেন।

শনিবার (১৪ জুন) সকাল ১০টায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৈঠকে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা শেষে উক্ত বৈঠক ও প্রেস ব্রিফিং নিয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরা হয়।

দলের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি মতিউর রহমান আকন্দের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ১৩ জুন লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপি নেতার বৈঠককে জামায়াতে ইসলামী স্বাভাবিক বলেই মনে করে। কারণ তিনি এর আগেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, যা গ্রহণযোগ্য। তবে বৈঠক শেষে বিদেশের মাটিতে একটি দলের সঙ্গে যৌথ প্রেস ব্রিফিং এবং যৌথ বিবৃতি প্রদানের বিষয়টি রাজনৈতিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ৬ জুন জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ২০২৬ সালের এপ্রিলের প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের রোডম্যাপ ঘোষণা করেন। এর পরপরই বিদেশ সফরে গিয়ে শুধুমাত্র একটি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে যৌথ বিবৃতি দেওয়া তার নিরপেক্ষতার ওপর প্রশ্ন তুলেছে।

জামায়াতের মতে, দেশে ফিরে এসে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে এ ধরনের বিবৃতি দেওয়া অধিকতর উপযুক্ত হতো। একক কোনো দলের সঙ্গে যৌথ প্রেস ব্রিফিংয়ে অংশ নেওয়া নৈতিকভাবেও অগ্রহণযোগ্য।

দলটির বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশে যেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সক্রিয় রয়েছে, সেখানে কেবল একটি দলের সঙ্গে বৈঠক করে জাতীয় রাজনীতির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যুক্তিসঙ্গত নয়। এ ধরনের আচরণ নির্বাচনের সুষ্ঠুতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আশা প্রকাশ করেছে যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখে সবার জন্য সমান সুযোগসুবিধা নিশ্চিত করবেন এবং নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ