শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইসেন্স বাতিলের প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রোগীর স্বজনদের বিক্ষোভ বিতর্কিত শিবমূর্তি অপসারণের দাবিতে রাজধানীতে খেলাফত আন্দোলনের বিক্ষোভ সাবেক এমপি বাহারের বক্তব্যের প্রতিবাদ, দেশে এনে বিচারের দাবি আলেমদের প্রস্তাবিত বাজেট ঋণনির্ভর ও উচ্চাভিলাসী: খেলাফত মজলিস আশাবাদে ভারাক্রান্ত সুলিখিত বাজেট, বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ: ইসলামী আন্দোলন কুমিল্লা ও নগরকান্দায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত হিল্লার নামে ‘পাতানো বিয়ে’ কবিরা গুনাহ: মাওলানা আজহারী বৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ, দ্রুত অপসারণ চান পীর সাহেব মধুপুর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চায় ইসলামী আন্দোলন

নিজ দলের নেতাকে মারপিট করায় এনসিপি নেতাকে অব্যাহতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

নিজ দলের নেতাকে মারপিট করে হাসপাতালে পাঠানোয় জাতীয় নাগরিক পার্টির রাজশাহী জেলা সমন্বয় কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী নাহিদুল ইসলাম সাজুকে সাময়িক অব্যাহতি ও একই সঙ্গে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

এনসিপির দপ্তর সম্পাদক সালেহ উদ্দিন সিফাতের সই করা এক নোটিশে তাকে সাময়িক অব্যাহতি দিয়ে শোকজ করা হয়।

নোটিশে বলা হয়েছে, আপনার বিরুদ্ধে গুরুতর দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। একারণে শৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আপনাকে দলের প্রাথমিক পদসহ সকল দায়িত্ব থেকে এতদ্দ্বারা সাময়িক অব্যাহতি প্রদান করা হলো। একইসাথে, আপনাকে কেন সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না তার যথাযথ ব্যাখ্যা আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে শৃঙ্খলা কমিটির প্রধান অ্যাড. আব্দুল্লাহ আল-আমিন বরাবর দাখিলের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো।

বুধবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে রাজশাহী মহানগরীর রাণীবাজার এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) এক নেতাকে মেরে হাসপাতালে পাঠান রাজশাহী জেলা সমন্বয় কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী নাহিদুল ইসলাম সাজু। আহত নেতার নাম ফিরোজ আলম।
তিনি জেলা সমন্বয় কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী।

রাজশাহী জেলা এনসিপির একটি সূত্র জানিয়েছে, বুধবার রাতে জেলা সমন্বয় কমিটির নেতারা প্রধান সমন্বয়কারী রাশেদুল ইসলামের রেস্তোরাঁয় বসেছিলেন। এ সময় নাহিদুল ইসলাম ও ফিরোজ আলমের কথা কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে নাহিদুল ইসলাম উঠে গিয়ে ফিরোজ আলমের বুকে লাথি মারেন।

এরপর জেলার প্রধান সমন্বয়কারী রাশেদুল ইসলামসহ অন্য নেতারা তাকে আটকে রাখেন। পরে নাহিদুল সেখান থেকে চলে যান। এরপর ফিরোজ আলম অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ