শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইসেন্স বাতিলের প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রোগীর স্বজনদের বিক্ষোভ বিতর্কিত শিবমূর্তি অপসারণের দাবিতে রাজধানীতে খেলাফত আন্দোলনের বিক্ষোভ সাবেক এমপি বাহারের বক্তব্যের প্রতিবাদ, দেশে এনে বিচারের দাবি আলেমদের প্রস্তাবিত বাজেট ঋণনির্ভর ও উচ্চাভিলাসী: খেলাফত মজলিস আশাবাদে ভারাক্রান্ত সুলিখিত বাজেট, বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ: ইসলামী আন্দোলন কুমিল্লা ও নগরকান্দায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত হিল্লার নামে ‘পাতানো বিয়ে’ কবিরা গুনাহ: মাওলানা আজহারী বৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ, দ্রুত অপসারণ চান পীর সাহেব মধুপুর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চায় ইসলামী আন্দোলন

কুমিল্লাকে বিভাগ ঘোষণার দাবি মুরাদনগর উপজেলা জমিয়তের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বাংলাদেশের প্রশাসনিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কুমিল্লাকে বিভাগ ঘোষণার দাবি এখন সময়ের অনিবার্য বাস্তবতা।

৯ অক্টোবর ২৫ ইং বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ টায় মাদরাসায়ে নূরে মাদীনা নহল চৌমুহনী বাজারে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, মুরাদনগর উপজেলা শাখা'র আমেলা বৈঠকে অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রতি দাবি করেন উপজেলা জমিয়তের সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রহমান আল মুজাফফার ।

এ সময় তিনি বলেন ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে কুমিল্লা সব দিক থেকেই একটি পূর্ণাঙ্গ অঞ্চল। দেশের অন্যতম প্রাচীন জনপদ হিসেবে কুমিল্লা বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক। এ জেলার লালমাই-ময়নামতি পাহাড়, ঐতিহাসিক স্থাপনা, সাহিত্য-সংস্কৃতি, শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে আন্তর্জাতিক মান সম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনা এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কুমিল্লাকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জনপদে পরিণত করেছে।

কুমিল্লা প্রাচীন সাম্রাজ্যের কেন্দ্র ছিল। ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী থেকে শুরু করে লালমাই-ময়নামতি, শালবন বৌদ্ধবিহার, কোটবাড়ির প্রত্ননগরী, নবাব ফয়জুন্নেছা, কাজী নজরুল ইসলামের পদচিহ্ন- সব মিলিয়ে কুমিল্লা বাংলাদেশের প্রাচীন সভ্যতার ধারক ও বাহক। এখান থেকেই বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার উন্নয়ন মডেলের সূচনা হয়েছিল "কুমিল্লা মডেল” নামে, যা পরবর্তীতে সারাদেশে দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এমন ঐতিহ্যবাহী জনপদ আজও জেলা পর্যায়ে আটকে আছে-এটা কেবল প্রশাসনিক নয়, মানসিক বঞ্চনাও ।

এসময় বক্তারা আরও বলেন বর্তমানে কুমিল্লা দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কেন্দ্রবিন্দু। কুমিল্লা EPZ, শিল্পাঞ্চল, কৃষি উৎপাদন, এবং রপ্তানি কর্মকাণ্ড জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একইসঙ্গে প্রশাসনিক ও জনসংখ্যাগত চাপও দিন দিন বাড়ছে। এই বাস্তবতায় বিভাগীয় প্রশাসন গঠন হলে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হবে। কুমিল্লা বিভাগ ঘোষণার মাধ্যমে শুধু একটি প্রশাসনিক কাঠামোই গড়ে উঠবে না, বরং এর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের স্বপ্ন, প্রত্যাশা ও আত্মপরিচয়ের মর্যাদা রক্ষা পাবে।

আমাদের প্রত্যাশা—সরকার জনগণের এই ন্যায্য দাবিকে সম্মান জানাবে এবং দ্রুত “কুমিল্লা বিভাগ” ঘোষণা করবে। এটাই সময়ের দাবি, সর্বস্তরের জনগণের দাবি, কুমিল্লাবাসীর প্রানের দাবি।

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ