সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা: নিহত ১, আহত ১১ স্ত্রীর মৃত্যুর সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নামাজরত অবস্থায় প্রাণ হারালেন স্বামী সৌদি বিমানবন্দরে হামলায় আহত ২৪ বাংলাদেশির ১৩ জনই ওমরাহযাত্রী ১২ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি জরুরি অবস্থা জারির কড়া সমালোচনা মাওলানা ফজলুর রহমানের মাহবুবা হাকিম এমপির বরাদ্দ ক্রীড়া সামগ্রী কিশোরদের মধ্যে বিতরণ নির্বাচন কমিশনার আইন নিয়ে আমাদের আশঙ্কা সত্যি হচ্ছে: ওয়াইসি ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে মাদরাসাগুলোকে বোর্ডের নির্দেশ রিয়াদে হামলায় নাসরুল্লাহ বদরের মৃত্যুতে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের শোক-প্রতিবাদ আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় হিরার সাফল্যে বিএনপির অভিনন্দন

ফিলিস্তিন-ইসরাইল যুদ্ধ: যা বললেন এরদোগান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
সংগৃহীত ছবি

ফিলিস্তিন ইসরায়েল যুদ্ধের সময় ও পরিধি ক্রমেই বাড়ছে। একের পর এক হামলা ও পাল্টা পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে দুপক্ষ। এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েলকে রণতরী পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এবার এ নিয়ে চটেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েম এরদোগান। ক্ষোভও ঝেড়েছেন তিনি।

প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলেন, ক্রমেই ইসরায়েলের নিকটবর্তী হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের রণতরী। এটি সেখানে গিয়ে গাজায় ভয়াবহ গণহত্যা চালাবে।

গত শনিবার আকস্মিক ইসরায়েলে হামলা চালায় ফিলিস্তিন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিয়েড অস্টিন বলেন, ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডসহ কয়েকটি রণতরীকে ইসরায়েলের কাছে সরিয়ে আনা হবে। এ সময় তিনি তাদের রণতরীর সাথে যুদ্ধবিমান পাঠানোর ঘোষণা দেন।

এরদোগান বলেন, ইসরায়েলের কাছাকাছি হয়ে মার্কিন এ রণতরী কি করবে? কেন তারা ইসরায়েলের কাছাকাছি আসছে? এ রণতরী আশপাশে থাকা বাকি ছোট নৌকাগুলোই বা কি করবে? তারা ইসরায়েলের কাছাকাছি হয়ে গাজায় ব্যাপক গণহত্যা চালাবে।

এর আগেও ফিলিস্তিন নিয়ে কথা বলেছেন এরদোগান। তিনি দুপক্ষের মধ্যে যুদ্ধ থামাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করার জন্য প্রস্তুত বলেও জানান।

এর আগে ইসরায়েলকে সহায়তা করলে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেয় ইরাক-ইয়েমেনের বিভিন্ন সশস্ত্র সংগঠন। তারা বলছে যুক্তরাষ্ট্র ইসেরায়েলকে সহায়তা দিলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে তার জবাব দেওয়া হবে।

যুক্তরাষ্ট্রকে এমন হুমকি দেওয়া সশস্ত্র সংগঠনগুলো হল কাতাইব হিজবুল্লাহ, বদর অর্গানাইজেশন ও হুথি। এসব সংগঠনের কোনোটির বিরুদ্ধে এর আগেও মার্কিনি স্থাপনায় হামলার অভিযোগ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ইরাকে ২৫০০ ও সিরিয়ায় ৯০০ সেনা নিয়ে মিশন রয়েছে। ২০১৪ সালে ইসলামিক স্টেট (আইএস) এ দুই দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল দখল করে নিলে সেখানে মিশন পাঠায় যুক্তরাষ্ট্র।

ইরাকের কাতাইব হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা করলে তাদের সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হবে। এর আগেও তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনায় সামরিক সহায়তার অভিযোগ করা হয়েছিল। তবে তা অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

সূত্র: রয়টার্স

টিএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ