শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২২ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

গাজার আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি ড্রোন


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ফাইল ছবি

মার্কিন সামরিক বাহিনী গাজার ওপর ‘নিরস্ত্র’ নজরদারি ইউএভি ড্রোন উড়ানোর কথা স্বীকার করেছে। হামাসের হাতে জিম্মিদের সনাক্ত করতে ড্রোনগুলো মোতায়েন করা হয়েছে বলে দাবি পেন্টাগনের। খবর বিবিসি ও আরটির।


মিডিয়ার উদ্ধৃতি দিয়ে মার্কিন কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলেছেন, ড্রোনগুলো ইসরায়েলের অভিযানে সহায়তা করার জন্য মোতায়েন করা হয়নি।

শুক্রবার একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে পেন্টাগনের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল প্যাট্রিক রাইডার নিশ্চিত করেছেন যে ড্রোন মিশনগুলো ইসরায়েলে হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলার পর চালু করা হয়েছিল। তখন হামাস ২০০ জনকে জিম্মি করে।

রাইডার আরও বলেছেন, ‘জিম্মিদের উদ্ধারের সুবিধার্থে গাজার ওপর নিরস্ত্র ইউএভি ড্রোন উড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সেইসাথে আমাদের ইসরায়েলি অংশীদারকে তাদের জিম্মি পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টায় কাজ করার জন্য পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করছে।’

ফ্লাইট-ট্র্যাকিং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফিলিস্তিনি ছিটমহল প্রদক্ষিণ করে সাংবাদিকরা এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনগুলো সনাক্ত করার পরে এই স্বীকারোক্তি দিয়েছে পেন্টাগন। যদিও ইউএভিগুলোকে বিমান হামলার উপযোগী করেও তৈরি করা যেতে পারে, তবে রিপার ড্রোনগুলোকে প্রায়ই নজরদারির কাজেই ব্যবহার করা হয়। কারণ এগুলোর সেন্সর খুবই উন্নত এবং এরা ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় আকাশে উড়তে পারে।

একাধিক মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, প্রথমবারের মতো গাজার ওপর দিয়ে মিশন পরিচালনা করেছে আমেরিকান ড্রোন। তারা জোর দিয়ে নিশ্চিত করেছেন ইসরায়েলের স্থল অভিযানকে কোনোভাবেই সমর্থন করার জন্য এগুলো ব্যবহার করা হয়নি। মূলত জিম্মিদের সন্ধান করে তাদের উদ্ধারের সুবিধার্থে ইসরায়েলকে তথ্য দেওয়াই মূল উদ্দেশ ছিল।

অন্তত ছয়টি এমকিউ-৯ ড্রোন দক্ষিণ গাজার ওপর দিয়ে ১৫ মাইল দূরে ইসরায়েলি স্থল সৈন্যদের উত্তর থেকে ভূখণ্ডে প্রবেশের চেষ্টা করতে দেখা গেছে বলে অ্যাভিয়েশন গবেষক অ্যামেলিয়া স্মিথ নিউইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ