সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ

কুরআন শরিফের কসম করা যাবে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

প্রশ্ন: আমি একবার আমার চাচাতো ভাইয়ের বাসায় যাই। সেখানে তার সঙ্গে একটি বিষয়ে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে আমি কুরআন শরিফ হাতে নিয়ে বলি, আমি কুরআন শরিফের কসম করে বলছি আর কখনো তোর বাসায় আসব না। পরে তার সঙ্গে রাগ মিটে যায়। এখন জানতে চাচ্ছি, আমার উক্ত কথার দ্বারা কি কসম হয়ে গেছে? এখন যদি আমি তার বাসায় যাই তা হলে কি আমাকে কাফফারা দিতে হবে?
-জসিম উদ্দীন ভোলা

উত্তর : কুরআন শরিফের কসম করে কোনো কাজের প্রতিজ্ঞা করলে কসম সংঘটিত হয়ে যায়। তাই আপনি যদি এখন আপনার চাচাতো ভাইয়ের বাসায় যান তা হলে আপনার কসম ভেঙে যাবে এবং এর কারণে আপনাকে কাফফারা দিতে হবে। কসমের কাফফারা হলো, দশজন গরিবকে দুবেলা তৃপ্তিসহ খাবার খাওয়ানো অথবা তাদের বস্ত্র দান করা।

যদি এমন আর্থিক সামর্থ্য না থাকে তা হলে ধারাবাহিকভাবে তিন দিন রোজা রাখা। উল্লেখ্য, কোনো বৈধ কাজ করবে না বলে কসম করার পর যদি ওই কাজটি করাই কল্যাণকর সাব্যস্ত হয়, তা হলে ওই কাজটি করে কসমের কাফফারা দিয়ে দেওয়াই উত্তম।

হাদিস শরিফে এসেছে-রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘কেউ যদি কোনো বিষয়ে কসম করে অতঃপর এর বিপরীত করার মধ্যে কল্যাণ দেখতে পায় তা হলে সে যেন ওই কল্যাণকর কাজটিই করে এবং কসমের কাফফারা দিয়ে দেয়&rsqu