শিশুরা অনুকরণ প্রিয়। অন্যকে দেখে শিখতে পছন্দ করে তারা। নিজ ঘরে মা-বাবাকে দেখেই অনেকে শৈশবে নামাজে দাঁড়াতে শেখে। নিজের অজান্তেই রবের সামনে রুকু, সেজদায় মাথা নত করে। বছর ঘুরে রমজান মাস এলে মা-বাবা ও পরিবারের অন্যদের দেখে শিশুরাও রোজা রাখতে আগ্রহী হয়ে উঠে। ভোর রাতে সেহরির খাবারে না ডাকলে অনেক শিশু মৃদু অভিমানও করে বসে।
অনুকরণ থেকেই আমল ও ইসলামী বিধান পালনের প্রতি ভালোবাসা তৈরি হলেও শিশুদের ওপর রমজানের রোজা ফরজ নয়। কারণ, ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক ফরজ এই ইবাদতটি প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ নারী-পুরুষদের জন্য ফরজ।
রাসুল সা. বলেন, তিন প্রকারের ব্যক্তি থেকে ( হিসাব-নিকাশের ) কলম উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে- পাগল, ঘুমন্ত ব্যক্তি ও নাবালেগ শিশু। -(আবু দাউদ, হাদিস : ৪৪০১)
শিশুদের রোজা রাখার বিধান না থাকলেও শৈশব থেকে তাদের রোজায় অভ্যস্ত করা মুস্তাহাব বলে মত দিয়েছেন বিজ্ঞ আলেমরা। আগে থেকে অভ্যাসের কারণে যেন প্রাপ্ত বয়ষ্ক হওয়ার à