শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২২ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
এলএনজি-এলপিজি নিয়ে দেশের পথে ৫টি জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে ফি-গ্রহণ বন্ধের তাগাদা ট্রাম্পের ‘কওমিতে একাধিক কিতাব দরসভুক্ত করা ছাড়া সিরাতের ঘাটতি পূরণ সম্ভব নয়’ হরমুজ প্রণালি হয়ে জাহাজ চলাচলের সংখ্যা নির্ধারণ করল ইরান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: ঝুঁকির মুখে যুদ্ধবিরতি, বিশ্বের দৃষ্টি এখন ইসলামাবাদে আলিমে বাদ পড়া শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের সময় বাড়ল ‘মাদরাসা শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য আল্লাহ ও রাসুলকে খুশি করা’ হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো গাফিলতি সহজভাবে নেওয়া হবে না: ধর্মমন্ত্রী লেবাননে ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানাল যুক্তরাজ্য-স্পেন সায়েদাবাদে অবৈধ ১০০ বাস কাউন্টার সিলগালা

রমজানে বিতর নামাজ পড়ার উত্তম সময় কখন?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

|| ইমরান ওবাইদ ||

রমজান মাস ব্যতীত বাকি এগারো মাসে বিতর নামাজ পড়ার উত্তম সময় হচ্ছে, রাতের শেষ তৃতীয়াংশ; যদি ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার আশা থাকে। আর যদি ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার আশা না থাকে, তাহলে এশার নামাজের পরপর বিতরের নামাজ পড়ে নিতে হবে।

হাদিসে পাকে এসেছে, হযরত জাবের রা. থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আশঙ্কা করে যে, রাতের শেষভাগে উঠতে পারবে না, সে যেন রাতের প্রথম ভাগেই বিতর পড়ে নেয়। আর যে ব্যক্তি রাতের শেষভাগে জাগ্রত হওয়ার আশাবাদী, সে যেন রাতের শেষ ভাগেই বিতর পড়ে। কেননা রাতের শেষ ভাগের নামাজে ফেরেশতারা উপস্থিত হন এবং এটাই উত্তম। (সহিহ মুসলিম: ৭৫৫)

রমজানে বিতরের উত্তম সময়:

তবে রমজান মাসে তারাবির নামাজের পর জামাতের সাথে বিতরের নামাজ পড়া উত্তম, এবং এটা সুন্নতও বটে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি (ইমাম নামাজ শেষ করে ফিরে যাওয়া) পর্যন্ত জামাতের সাথে ( তারাবি ও বিতরের) নামাজ আদায় করে, তার আমলনামায় পূর্ণ রাত নামাজ পড়ার সওয়াব লিখে দেওয়া হয়। ( সুনানে তিরমিজি: ৮০৬)

তবে রমজানে যে ব্যক্তি জামাতের সঙ্গে বিতর আদায় করতে না পারবে তার জন্য উত্তম হলো শেষ রাতে বিতর নামাজ পড়া।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের রাতের শেষ নামাজ যেন বিতর হয়। (সহিহ বুখারি: ৯৯৮)

আইএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ