সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১২ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি জরুরি অবস্থা জারির কড়া সমালোচনা মাওলানা ফজলুর রহমানের মাহবুবা হাকিম এমপির বরাদ্দ ক্রীড়া সামগ্রী কিশোরদের মধ্যে বিতরণ নির্বাচন কমিশনার আইন নিয়ে আমাদের আশঙ্কা সত্যি হচ্ছে: ওয়াইসি ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে মাদরাসাগুলোকে বোর্ডের নির্দেশ রিয়াদে হামলায় নাসরুল্লাহ বদরের মৃত্যুতে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের শোক-প্রতিবাদ আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় হিরার সাফল্যে বিএনপির অভিনন্দন ‘পবিত্র ভূমিতে হামলা মুসলিম উম্মাহর জন্য গভীর উদ্বেগের’ আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন পরিদর্শনে জামিয়া ইমদাদিয়ার শায়খুল হাদিস চাঁদ দেখা যায়নি, জমাদিউল আউয়াল মাস শুরু মঙ্গলবার

সুরা কাহাফ পাঠের ফজিলত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

ইমরান ওবাইদ, সাব-এডিটর

সপ্তাহের শ্রেষ্ঠতম দিন শুক্রবার। হাদিসে এ দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে। আরেক হাদিসে বলা হয়েছে, শুক্রবার হলো সমস্ত দিনের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। হজরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, পৃথিবীতে যতদিন সূর্য উদিত হবে তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ দিন হলো শুক্রবার। এ দিনে আদম আলাইহিস সালামকে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে। এবং এ দিনেই তাকে জান্নাত থেকে বের করা হয়েছিল। সর্বশেষ কেয়ামত সংঘটিত হবে শুক্রবার দিনে। (সহিহ মুসলিম: ৮৫৪)।

এ দিনকে কেন্দ্র করে বিশেষ অনেক আমলের কথা হাদিসে বর্ণিত, তার মধ্যে অন্যতম হলো—সুরা কাহাফের তেলাওয়াত। পবিত্র জুমার দিনে এই পবিত্র সুরা তেলাওয়াতের ফজিলত সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে বেশ কিছু হাদিস।

যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহাফ পড়বে, তার (ঈমানের) নূর এ জুমা থেকে পরবর্তী জুমা পর্যন্ত চমকাতে থাকবে। (মিশকাত: ২১৭৫)।

যে ব্যক্তি সুরা কাহাফ পাঠ করবে, কেয়ামতের দিন তার জন্য এমন একটি নূর হবে, যা তার অবস্থানের জায়গা থেকে মক্কা পর্যন্ত আলোকিত করে দেবে। আর যে ব্যক্তি তার শেষ দশটি আয়াত পাঠ করবে, তার জীবদ্দশায় দাজ্জাল বের হলেও সে তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। (সিলসিলায়ে সহিহা: ২৬৫১)।

যে ব্যক্তি জুমার রাতে সুরা কাহাফ পাঠ করবে, তার জন্য স্বীয় অবস্থানের জায়গা থেকে পবিত্র মক্কা পর্যন্ত একটি নূর হবে। (সহিহ তারগিব ওয়াত্ তারহিব: ৭৩৬)।

জুমার দিনে সুরা কাহাফ পাঠ করলে কেয়ামত দিবসে তার পায়ের নিচ থেকে আকাশের মেঘমালা পর্যন্ত নূর আলোকিত হবে এবং দুই জুমার মধ্যবর্তী গুনাহ মাফ হবে। (আত তারগিব ওয়াত তারহিব: ১/২৯৮)।

দশ আয়াত মুখস্থের ফজিলত:

পৃথিবীর বড় বড় ফেতনার একটি হলো দাজ্জালের ফেতনা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ ব্যাপারে অনেক আগেই আমাদেরকে সতর্ক করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আদমের সৃষ্টির পর থেকে বিচার দিবসের আগ পর্যন্ত দাজ্জালের চেয়ে বড় আর কোনো ফিতনা নেই।’ (মুসলিম শরিফ)।

সেই ফেতনা থেকেও মুক্তির উপায় রয়েছে এই পবিত্রতম সুরার পাঠে। হাদিসে বর্ণিত, যে ব্যক্তি সুরা কাহাফের প্রথম দশটি আয়াত মুখস্থ করবে তাকে দাজ্জালের অনিষ্ট হতে নিরাপদ রাখা হবে। (মুসলিম, মিশকাত)।

অন্য হাদিসে আছে—‘যে ব্যক্তি সুরা কাহাফের শেষ দশটি আয়াত মুখস্থ রাখবে, সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকবে।’ (সহিহ মুসলিম: ৮০৯)।

সুতরাং সুরা কাহাফ পাঠ দাজ্জালের বিরুদ্ধে একটি ঢালস্বরূপ।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ