হজরত হাজেরা আলাইহাস সালাম তাঁর শিশু পুত্র হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালামকে নিয়ে জমজম কূপের পাশে বসবাস করতে থাকেন। মহান আল্লাহর অসীম রহমতে জমজমের পানি তাঁদের তৃষ্ণা নিবারণ করত এবং জীবনধারণের ব্যবস্থা করে দিত। জনমানবহীন মরুপ্রান্তরে আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রেখেই মা ও ছেলে দিন কাটাতে থাকেন।
কিছুদিন পর ইয়েমেনগামী জুরহুম গোত্রের একটি বাণিজ্য কাফেলা ওই এলাকার কাছ দিয়ে অতিক্রম করছিল। দীর্ঘ মরু সফরে তাদের পানির মজুত প্রায় শেষ হয়ে এসেছিল। এমন সময় তারা আকাশে কয়েকটি পাখিকে একটি নির্দিষ্ট স্থানের ওপর ঘোরাফেরা করতে দেখে। মরুভূমিতে পাখির এমন উপস্থিতি সাধারণত পানির অস্তিত্বের ইঙ্গিত বহন করত। তাই তারা সেদিকে অগ্রসর হলো।
কিছুক্ষণ পর তারা বিস্ময়ের সঙ্গে দেখতে পেল, জনশূন্য উপত্যকায় একটি পানির কূপের পাশে এক নারী তাঁর শিশুসন্তানকে নিয়ে অবস্থান করছেন। তারা হজরত হাজেরা আলাইহাস সালামের কাছে এসে তাঁর পরিচয় জানতে চাইলেন। তিনি নিজের পরিচয় দেওয়ার পাশাপাশি আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহে জমজমের পানি লাভের ঘটনাও তাঁদের শুনিয়ে দিলেন।
কাফেলার লোকেরা জমজমের à