আওয়ার ইসলাম ডেস্ক:
পবিত্র কোরআন আল্লাহ তাআলার কালাম। কোরআন তিলাওয়াত, মুখস্থ করা এবং তার শিক্ষা অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা মুমিনের জন্য অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ আমল। কোরআন-হাদীসে কোরআনের হাফেযদের জন্য যে বিপুল সওয়াব, ফযীলত ও আখেরাতের মর্যাদার কথা বর্ণিত হয়েছে, তা শুধু পুরুষদের জন্য নির্দিষ্ট নয়; বরং নারী-পুরুষ উভয়েই এসব ফযীলতের অধিকারী হতে পারেন। তাই কোরআন হিফযের এই মহান সৌভাগ্য থেকে নারীদের বঞ্চিত রাখার কোনো যৌক্তিকতা নেই।
ইতিহাসের পাতায় দেখা যায়, উম্মুল মুমিনীনদের মধ্য থেকে একাধিকজনসহ নারী সাহাবিদের অনেকেই পূর্ণ কোরআনের হাফেযা ছিলেন। পরবর্তী যুগের নেককার ও মনীষী পরিবারগুলোর নারীরাও নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত ও হিফযের প্রতি যত্নশীল ছিলেন। অতএব নারীদের কোরআন হিফযে উৎসাহিত করা শুধু একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগই নয়; বরং কোরআনের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
অনেকে মেয়েদের হিফয করানোর ক্ষেত্রে ‘মুখস্থ ধরে রাখা কঠিন’—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেন। কিন্তু নিয়মিত তিলাওয়াত, মুরাজাআত ও আমলের মাধ্যমে আল্লাহর তাওফীকে কোরআন হৃদয়ে সংরক্ষণ করা সম্ভব। যুগ যুগ ধরে অসংখ্য নারী কোরআন হিফয করেছেন এবং করে চলেছেন। তাই মেয়েদের কোরআন হিফযে নিরুৎসাহিত না করে সঠিক পরিবেশ, নিয়মিত অনুশীলন ও আন্তরিকতার মাধ্যমে তাদের উৎসাহিত করা প্রয়োজন।
এসএইচ/