মুহাম্মদ মিজানুর রহমান
আট. মুসলিম কল্যাণ ফাউন্ডেশন প্রথমে শিশিরকে নিরাপত্তার স্বার্থে পাহাড়ি অঞ্চল চট্টগ্রামে পাঠিয়ে দেয়। উদ্দেশ্য ছিল—এই সময়টা পার করে পরিবেশ একটু শান্ত হলে পরে ঢাকায় ফিরবে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতি শান্ত তো হয়ই না, বরং আরও ঘোলাটে হয়ে ওঠে।
চট্টগ্রামে যাওয়ার মাত্র তিন দিনের মাথায় ধামরাই থানার নম্বর থেকে তার ফোনে আসে এক বিপদসংকেত। নওমুসলিম ফাউন্ডেশনের এক ভাই ফোনে বলেন, “তোমার জন্য আমরা বড় বিপদে পড়ে গেছি। আমাদের ওরা থানায় ধরে এনেছে। তুমি যত তাড়াতাড়ি পারো, ঢাকায় চলে এসো।”
শিশির আর দেরি করে না। পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে সে সঙ্গে সঙ্গে ঢাকায় ফিরে আসে। ঢাকায় এসেই একজন অভিজ্ঞ ও সৎ আইনজীবীর সহায়তা নিয়ে ধামরাই থানার পথে রওনা হয়।
থানায় পৌঁছেই শিশির—অর্থাৎ আব্দুল্লাহ আল আহমদ—দেখে, তার পরিবারের প্রায় সবাà