সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁওয়ে হাতপাখার প্রচার রিকশা ভাঙচুর, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি দিল্লির রেসকোর্স মসজিদ ও কবরস্থান রক্ষার দাবি জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের ‘সমাজে নৈতিকতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ইমামদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ’ ‘মাওলানা হাবীবুর রহমানের ভূমিকা বাংলাদেশের ইসলামি আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে’ ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৪ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ বাচ্চাদের দুষ্টুমি কমাতে কোরআন-হাদিসের আমল ও করণীয় সৌদিতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির একজন শ্রমিক, অন্যজন ওমরাহ যাত্রী  গাজায় খাদ্যসংকটে ১৪ লাখ ফিলিস্তিনি, সহায়তা কমাচ্ছে ডব্লিউএফপি  এবার চট্টগ্রাম বিভাগের ইমাম-খতিবদের জন্য আস-সুন্নাহর বিশেষ প্রশিক্ষণ ১৩০ বছর বয়সে হজ পালন করা আলজেরিয়ার নারীর ইন্তেকাল

শাইখুল ইসলামের চলে যাওয়ার ৩ বছর


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ.-এর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ। গত ২০২০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আজকের এই দিনেই (শুক্রবার) সন্ধ্যার আগ মুহুর্তে রাজধানী ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনি। তার ইন্তেকালে শোক নেমে এসেছিল পুরো দেশ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে।

আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ,-একই সঙ্গে ছিলেন বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ ও আল হাইয়াতুল উলিয়ার চেয়ারম্যান। তিনি দীর্ঘ ৩৪ বছর সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে এসেছেন জামিয়া আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসার মহাপরিচালকের পদে।

আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ. চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থানার পাখিয়ারটিলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম ও ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ মাদরাসায় পড়াশোনা করেন।

হাটহাজারী মাদরাসায় শিক্ষকতার মাধ্যমে শুরু হয় আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ.-এর কর্মজীবন। ১৯৮৬ সালে তিনি হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালক পদে যোগ দেন। এরপর থেকে টানা ৩৪ বছর ধরে সুনামের সাথে তিনি ওই পদে ছিলেন।

আল্লামা আহমদ শফী রহ.- এর নেতৃত্বে ২০১৭ সালের ১১ এপ্রিল  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কওমি মাদরাসার দাওরায়ে হাদিসের সনদকে মাস্টার্র্স (আরবি-ইসলামিক স্টাডিজ)-এর সমমান ঘোষণা করেন।

১৯ আগস্ট ২০০১ সালে ওমরা পালনকালে হারামাইন শরিফাইনের মহাপরিচালক শায়খ সালেহ বিন আল হুমাইদ পবিত্র কাবার গিলাফের একটি অংশ উপহার প্রদান করেন।

২০০৫ সালে জাতীয় সিরাত কমিটি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাঁকে ‘শ্রেষ্ঠ ইসলামী ব্যক্তিত্ব’ হিসেবে সম্মাননা ও স্বর্ণপদক দেওয়া হয়। এ ছাড়া দেশের অসংখ্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন তাঁকে নানা সম্মাননা ও পুরস্কারে ভূষিত করেছে।

স্ত্রী ফিরোজা বেগমের সঙ্গে পারিবারিক জীবন গড়েন আল্লামা আহমদ শফী। দুই ছেলে ও তিন মেয়ের জনক তিনি। বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ পাখিয়ারটিলার মাদরাসার পরিচালক। ছোট ছেলে মাওলানা আনাস হেফাজতে ইসলামের প্রচার সম্পাদক। মেয়েদের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে পাত্রস্থ করেছেন।

এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ