শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

কারাবন্দি আলেমদের মুক্তি না দিলে কঠোর কর্মসূচি দিবে হেফাজতে ইসলাম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

গ্রেপ্তার সব নেতাকর্মীর মুক্তি ও সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার না করায় কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

শনিবার (২ ডিসেম্বর) হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রচার সম্পাদক মুফতি কিফায়াতুল্লাহ আজহারী গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে মাওলানা মামুনুল হক, মুফতি মুনির হুসাইন কাসেমীসহ হেফাজতের কারাবন্দি সকল আলেম উলামার মুক্তির দাবি জানানো হয়। নয়তো এহেন পরিস্থিতিতে অনতিবিলম্বে আমিরে হেফাজত আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী সাথে পরামর্শক্রমে তাওহিদি জনতাকে সাথে নিয়ে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা দেবে তারা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৩ সাল থেকে অদ্যাবধি হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের নামে দায়েরকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মাহাসচিব আল্লামা শায়খ সাজেদুর রহমান বলেছেন, গত ২৫ অক্টোবর ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় ওলামা মাশায়েখ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই সম্মেলন থেকে ঘোষিত দাবিসমূহের অন্যতম দুটি দাবি ছিল- মাওলানা মামুনুল হক, মুফতি মুনির হুসাইন কাসেমীসহ হেফাজতের কারাবন্দি সকল আলেম উলামার মুক্তি এবং ২০১৩ সাল থেকে অদ্যাবধি হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের নামে দায়েরকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার।

তিনি বলেন, ২৫ শে অক্টোবরের উলামা মাশায়েখ সম্মেলন থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে এসব দাবি বাস্তবায়ন করার জন্য জোর দাবি জানানো হয়েছিল। ইতিমধ্যে ৩০ নভেম্বর পার হয়ে গেছে। আলহামদুলিল্লাহ, এই সময়ের মধ্যে মুফতি মুনির হুসাইন কাসেমী ও মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। এ জন্য আমরা আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি।

হেফাজত মহাসচিব আরও বলেন, অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় হলো, মাওলানা মামুনুল হকসহ বাকি যে সমস্ত আলেম এখনও কারাবন্দি আছেন তাদের ব্যাপারে এবং হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের নামে দায়েরকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ে এখনো কোনো বাস্তব উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। যার ফলে হেফাজতের নেতাকর্মী ও সারাদেশের উলামায়ে কেরাম ও আপামর তৌহিদি জনতার মাঝে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ