বুধবার, ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৩ পৌষ ১৪৩২ ।। ১৮ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘জামায়াত আমিরের বক্তব্য অজ্ঞতার শামিল, তওবা করা উচিত’ গণভোটের প্রচারে যুক্ত করা হচ্ছে ইমামসহ অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে  বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে ৮ মুসলিমকে মারধর নেপালে মসজিদ ভাঙচুরকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, কারফিউ জারি ‘জনগণেই সিদ্ধান্ত নেবে আগামী ৫ বছর কে দেশ চালাবে’ বাংলাদেশ–পাকিস্তান বিমানবাহিনী প্রধানের বৈঠক নিয়ে যা জানা গেল পাতানো নির্বাচনের চেষ্টা চলছে, রুখে দেয়া হবে: আসিফ মাহমুদ কেন্দ্র দখল করতে এলে প্রতিহত করা হবে: হাসনাত আবদুল্লাহ হাদিকে গুলিবর্ষণকারী ফয়সাল এখন কোথায়, জানাল ডিবি সিইসির সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক, আলোচনা হলো যেসব বিষয়ে

মুফতী ফয়জুল করীম আজ ‘সুবিচার’ পাবেন কি?


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
সংগৃহীত

বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কারচুপি করে হারিয়ে দেওয়ার অভিযোগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের মামলার শুনানির জন্য আজ সোমবার (৫ মে) দিন ধার্য রয়েছে। আদালত থেকে এ ব্যাপারে আজ রায়ও ঘোষণা হতে পারে। ইতোমধ্যে শায়খে চরমোনাই মুফতি ফয়জুল করীম সংবাদ সম্মেলন করে আদালতের কাছে ‘সুবিচার’ প্রার্থনা করেছেন। এজন্য আজ সবার চোখ থাকবে বরিশাল আদালতের দিকে। সত্যিই হাতপাখার প্রার্থী সুবিচার পাচ্ছেন কি না সেটা পর্যবেক্ষণ করবেন সবাই। 

২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বিজয়ী হওয়ার কথা থাকলেও তাঁকে জোরে পরাজিত করে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বিজয়ী হন-এমন অভিযোগ এনে গত ১৭ এপ্রিল বরিশালের আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটির শুনানির জন্য গত ২৪ এপ্রিল দিন ধার্য ছিল। ধারণা ছিল, সে দিনই মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীমের পক্ষে রায় আসবে। কিন্তু সেই দিন শুনানি করে আদালত আবার ৫ মে শুনানির দিন ধার্য করেন।

এদিকে মুফতী ফয়জুল করীমকে মেয়র নির্বাচিত করার দাবি যখন জোরালো হচ্ছে তখন গত ২৩ এপ্রিল আদালতে মামলার আবেদন করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন (তাপস)। বিতর্কিত সেই নির্বাচনে তিনি তৃতীয় হয়েছিলেন আর মুফতি ফয়জুল করীম হয়েছিলেন দ্বিতীয়। জাপা প্রার্থীর এই মামলাকে ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন অনেকেই। তারা বলছেন, হাতপাখার প্রার্থীকে মেয়র ঘোষণা ঠেকানোর জন্যই ষড়যন্ত্রমূলকভাবে লাঙ্গলের প্রার্থীকে দিয়ে মামলা করানো হয়েছে।

এছাড়া সরকারের একজন প্রভাবশালী উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার একটি বক্তব্য ঘিরেও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ জানান, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীর আদালতের রায়ের মাধ্যমে পদে বসাকে সমর্থন করেন না। তার মতে, এর মাধ্যমে অবৈধ ওই সব নির্বাচনকে বৈধতা দেওয়া হচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলোকে এটা থেকে বিরত থাকা উচিত। তার এই বক্তব্যের পর ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মী এবং মুফতি ফয়জুল করীমের অনুসারী বলছেন, সরকার চাচ্ছে না বলেই হাতপাখার প্রার্থীকে বরিশালে মেয়র পদে বসতে দেওয়া হচ্ছে না। এটাকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতি বৈষম্য ও অবিচার হিসেবে দেখছেন তারা। 

এদিকে আগের বার শুনানির সময় বরিশাল আদালতের বাইরে হাতপাখার পক্ষের নেতাকর্মীরা ব্যাপক হট্টগোল করেন। সেটা যেন এবার না হয় সে ব্যাপারে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মুফতি ফয়জুল করীম। তিনি শনিবার (৩ মে) সংবাদ সম্মেলন করে আদালতের কাছে সুবিচার প্রার্থনা করেছেন এবং নেতাকর্মীদের আদালতে ভিড় না করার আহ্বান জানিয়েছেন।

এসএকে/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ