শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মসজিদের ভেতর থেকে মুয়াজ্জিনের লাশ উদ্ধার কাল ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে বয়ান করবেন শায়খ ইলিয়াস গুম্মান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ মাসব্যাপী আরবি ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন কোর্স হাসনাতের বক্তব্যে মধ্যরাতে উত্তাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মাদরাসা শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সিলেট মহানগর খেলাফত মজলিসের তরবিয়তি মজলিস অনুষ্ঠিত জাতীয় সিরাত সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার নিবন্ধনের সময় বাড়ল ১০ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে ইসলামি বইমেলা অসুস্থ প্রবীণ আলেম মাওলানা সুলাইমান নোমানীর শয্যাপাশে আমিরে মজলিস নতুন ধারাবাহিক অনুষ্ঠান নিয়ে আসছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ দুই পবিত্র মসজিদ নিয়ে উদ্ভাবনী ধারণা আহ্বান, বিজয়ীদের মিলবে নগদ পুরস্কার

সাড়ে ৩ বছর পর আদালতের রায়ে চেয়ারম্যান হলেন জামায়াত নেতা সাইয়েদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আদালতের রায়ে দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর পর নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার বারগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও নোয়াখালী জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মাওলানা সাইয়েদ আহমদকে।

বুধবার (১৪ মে) দুপুরে নোয়াখালী জেলা দায়রা জজ আদালতের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের সিনিয়র সহকারী জজ দেওয়ান মনিরুজ্জামান তাকে ৪৬৬ ভোটে বিজয়ী ঘোষণা করেন। অবশেষে আদালতের রায়ে তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা পেলেন।

২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জয়ী হয়েও ফলাফল বদলে পরাজিত ঘোষণা করা হয়েছিল।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. নিজাম উদ্দিন জানান, ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি সোনাইমুড়ী উপজেলার বারগাঁও ইউনিয়নে চশমা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে কেন্দ্র ওয়ারি ফলাফলে জয়লাভ করেন মাওলানা সাইয়েদ আহমদ। তবে উপজেলা পর্যায়ে ফলাফলের কাগজপত্রে ওভার রাইটিং করে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. সামছুল আলমকে চার হাজার ৭৮২ ভোটে চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হয়। এ ফলাফল বাতিল করে পুর্নভোট গণনার দাবি জানিয়ে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা সাইয়েদ আহমদ নির্বাচন কমিশনসহ জেলা ও উপজেলায় আবেদন করেন। পরবর্তীতে ২০২২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি নোয়াখালী জজ আদালতের নির্বাচনী ট্রাইব্যুানালে ৫/২২ মামলা করেন।

আদালত  দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর বিভিন্ন সাক্ষ্য তথ্য-উপাত্ত ও ভোট পুনঃগননা শেষে আজ রায়ে অবশেষে সাইয়েদ আহমদকে চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করেন এবং একই সাথে আগের গেজেট বাতিল করেন।

তিনি আরো জানান, ‘আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার সাড়ে তিন বছর আগে জনগণের রায় ছিনিয়ে নিয়েছিল। আজ আদালত সেই রায় ফিরিয়ে দিয়েছেন। কাশীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফলাফল টেম্পার করে আওয়ামী প্রার্থীকে জয়ী করা হয়, অথচ কেন্দ্রীয় ফলাফলে স্পষ্ট জয়ী ছিলেন সাইয়েদ আহমদ।

উপজেলা পরিষদে ফলাফলের টেম্পারিং হয়েছে। সেখানে তাকে ১১ ভোটে হারিয়ে দেওয়া হয়েছিল।’

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে অধ্যক্ষ মাওলানা সাইয়েদ আহমদ বলেন, ‘সত্যের জয় হয়েছে। সত্য কখনো চাপা থাকে না—আজ তা প্রমাণিত হলো। এটি জনগণের বিজয়।

আমার ইউনিয়নের বাসিন্দারা বঞ্চিত হয়েছেন, তাই আমি শুরুতেই নির্বাচন ট্রাইবুনাল আদালতে মামলা দায়ের করেছিলাম। আজ আল্লাহর রহমতে জয় পেয়েছি। ইউনিয়নের জনগণের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।’

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী শহর জামায়াতের সেক্রেটারি আ্ডভোকেট মায়াজউদ্দীন।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ