শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
গুম-খুন ও শহীদ পরিবারের ৭৪ জনকে নিয়োগপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্রের তথ্য দিলে ২ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভ‌রিতে সোনার দাম কমলো ৭১১৫ হাজার টাকা মসজিদের ভেতর থেকে মুয়াজ্জিনের লাশ উদ্ধার কাল ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে বয়ান করবেন শায়খ ইলিয়াস গুম্মান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ মাসব্যাপী আরবি ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন কোর্স হাসনাতের বক্তব্যে মধ্যরাতে উত্তাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মাদরাসা শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সিলেট মহানগর খেলাফত মজলিসের তরবিয়তি মজলিস অনুষ্ঠিত জাতীয় সিরাত সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার নিবন্ধনের সময় বাড়ল ১০ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে ইসলামি বইমেলা

শাপলা শহীদদের বিচারের দাবিতে ‘শাপলা স্মৃতি সংসদ’-এর ৭ দফা 

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শাপলা শহীদদের স্মরণে কনফারেন্সের আয়োজন করেছে শাপলা স্মৃতি সংসদ। আয়োজকরা জানান, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরে শাহাদাতবরণকারী শহীদদের স্মরণে একটি তথ্যসমৃদ্ধ ডকুমেন্টারি নির্মাণ এবং একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ করা হচ্ছে। কনফারেন্সে শহীদ পরিবারের সদস্য এবং আহত ব্যক্তিরা উপস্থিত থেকে তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি তুলে ধরবেন।

আজ শনিবার (২৪ মে) বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত রাজধানীর কাকরাইলস্থ ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে এই কনফারেন্স চলবে।

এই কনফারেন্স থেকে শাপলা গণহত্যার বিচার ও শহীদদের যথাযথ মূল্যায়নে ৭ দফা দাবি পেশ করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- 

১. রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও পুনর্বাসন:
শাপলা গণহত্যার শহীদ ও আহতদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে হবে। শহীদ পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ, আহতদের চিকিৎসা এবং পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসনের দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে। বিশেষ করে শহীদ পরিবার ও পঙ্গুত্ববরণকারীদেরকে নিয়মিত ভাতা প্রদান করতে হবে।

২. পাঠ্যপুস্তকে ইতিহাস সংযোজন:
শাপলা গণহত্যার সত্য ইতিহাস জাতীয় শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করে নতুন প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে।

৩. জুলাই ঘোষণাপত্রে জাতীয় স্বীকৃতি:
‘জুলাই ঘোষণাপত্র’-এ শাপলা গণহত্যাকে জাতীয় ট্রাজেডি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে রাষ্ট্রীয় অবস্থান সুস্পষ্ট করতে হবে।

৪. সরকারিভাবে শহীদ তালিকা প্রণয়ন:
রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে যাচাইকৃত শহীদ তালিকা প্রস্তুত করে তা জাতীয় নথিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

৫. দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি:
মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনকারী এই গণহত্যার দায়ীদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

৬. মিথ্যা মামলার প্রত্যাহার:
হেফাজতে ইসলাম ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।

৭. স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন:
আইনজ্ঞ ও নিরপেক্ষ নাগরিকদের সমন্বয়ে 'শাপলা গণহত্যা তদন্ত কমিশন' গঠন করে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও সুপারিশমালা প্রকাশ করতে হবে।

কনফারেন্সে শাপলা স্মৃতি সংসদ-এর পক্ষ থেকে এই দাবিগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

কনফারেন্সের সভাপতিত্ব করছেন শাপলা স্মৃতি সংসদ-এর আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের  আমীর শাইখুল হাদিস মাওলানা মামুনুল হক।

আয়োজকদের সূত্রে জানা গেছে, কনফারেন্সে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলান জালালুদ্দীন আহমাদ তাকওয়া ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা গাজী ইয়াকুব, দৈনিক আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম, এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ, ইনকিলাব মঞ্চের শরীফ ওসমান হাদীসহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত আছেন।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ