সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান ১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! রোহিঙ্গাদের ক্ষুধার্ত রেখে আপনি খেতে পারেন না

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

এইচ এম মাহমুদ হাসান সিরাজী
প্রিন্সিপাল, জামিয়া ওসমান ইবনে আফফান রা.

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! স্বজন হারানোর ব্যথা আপনার চেয়ে বেশি আর কে উপলব্ধি করতে পারবে?
এতিম হওয়ার দুঃখ আপনার চেয়ে বেশি আর কে বুঝতে পারবে?

আপনিতো অনেক দুঃখ-কষ্টের মাঝেও কঠিন পরিস্থিতির মোকাবালা করতে পারেন। প্রচণ্ড ঝড়েও নৌকার বৈঠা শক্ত হাতে ধরার অভিজ্ঞতা আপনার রয়েছে। বাঘের থাবা থেকেও গোস্তের টুকরা ছিনিয়ে আনার দুঃসাহস আপনার রয়েছে।

একমাত্র আপনিই পেরেছেন বিশ্বের প্রভাবশালী-পরাশক্তি রাষ্ট্রগুলোকে বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন করতে। বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মাঝেও আপনি অন্যতম স্থানে রয়েছেন।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আপনাকে আরো সাহসী ভূমিকায় এগিয়ে আসতে হবে। আপনার ধ্বমনিতে শেখ মজিবের রক্ত প্রবাহিত। সুতরাং আপনাকে আপনার বাবার মত ৪৭ এর দাঙ্গার সময়কার ভূমিকায় আসতে হবে।

অবলা নারীদের চিৎকার কিন্তু আপানার বাবাও সহ্য করতে পারতেন না। আপনার নিশ্চয় মনে আছে বা আপনি ভাল করে জানেন, ৪৭ এর দাঙ্গার পর আপনার বাবা আর তার বন্ধু ইয়াকুব নামের ফটোগ্রাফার মহাত্নাজীর সাথে দেখা করে কী উপহার দিয়ে ছিলেন?

মুসলমান মেয়েদের স্তনকাটা ছবি, মুসলমান শিশুদের মাথাকাটা লাশের ছবি, মুসলমানদের পুরে যাওয়া বস্তি, ভেঙ্গে দেওয়া মসজিদসহ তৎকালীন ক্ষতিগ্রস্ত মুসলমান চিত্রগুলো কত চমৎকার করে তিনি মহাত্নাজীর সামনে পেশ করেছিলেন সে কথা কিন্তু আপনি আমাদের চেয়ে বেশি জানেন।

ফলে মহাত্নাজীর অন্তরে কিন্তু এর একটা ভাল প্রভাবও পড়েছিল।

আজ রোহিঙ্গাদের সাথে কি হচ্ছে না বলুন! বিশ্বদরবারে দেখাতে কতজন স্তনকাটা মুসলমান মেয়ের ছবি লাগবে! মাথাছাড়া কতটা শিশুর লাশ প্রয়োজন? কতটা পুরিয়ে দেওয়া জালিয়ে দেওয়া মসজিদ-মাদরাসার ছবি চাই? আরাকানে ওসব ভুরি ভুরি।

এ ব্যাপারে গুটিকয়েক মুনাফিক মার্কা মুসলমান নেতা ছাড়া বাকি দেড়শ কোটি মুসলমানের দোয়া-দয়া আপনার মাথার উপর থাকবে। হাতেগুনা শূন্য পার্সেন্ট ধর্মবিদ্বেষী ছাড়া বাকি সাতশ কোটি আদম সন্তানের সমর্থন ও ভালবাসা আপনি পাবেন।

প্লীজ আপনাকেই এগিয়ে আসতে হবে। এ রাজধানী থেকেও কিন্তু রোহিঙ্গাদের পোড়া রক্তের ঘ্রান নাকে আসছে। তাদের গগণবিদারী চিৎকারের আওয়াজ কানে আসছে।

তাদà