শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস হেফাজতের আপত্তিকে ‘গঠনমূলক পরামর্শ’ হিসেবে দেখছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে বৈঠক

ভারতে গণপিটুনিতে মুসলিম হত্যার অভিযুক্তদের ছেড়ে দিল পুলিশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের রাজস্থানে এক মুসলমান দুধ ব্যবসায়ীকে গণপিটুনিতে মেরে ফেলার ঘটনায় মূল ছয়জন অভিযুক্তকে ছাড় দিয়েছে পুলিশ।

পেহলু খান নামের ওই দুধ ব্যবসায়ী রাজস্থান থেকে গরু কিনে হরিয়ানায় নিজের বাড়িতে ফেরার পথেই আক্রান্ত হন গত এপ্রিল মাসে।

মৃত্যুকালীন জবানবন্দিতে তিনি যে ৬ জনের নাম জানিয়েছিলেন, পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তে তারা দেখেছে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থলে ছিলই না। এই ৬ জনের মধ্যে তিনজন হিন্দুত্ববাদী একটি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত।

পুলিশ ছাড় দেওয়ার পরে পেহলু খানের পরিবার এখন আদালতে যাওয়ার কথা ভাবছে। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্কও।

রাজস্থানের আলোয়ার জেলার পুলিশ বলছে গত এপ্রিল মাসে পহেলু খানকে গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনায় তারা জেলা পর্যায়ে তদন্তের পরে ক্রাইম ব্রাঞ্চকে দিয়েও তদন্ত করিয়েছে। সেই তদন্তের শেষে গ্রেপ্তার হওয়া ৭ জনের সঙ্গেই আরও দুজনের নাম জোড়া হয়েছে।

কিন্তু অন্য ছয়জন - যাদের নামেও অভিযোগ ছিল, তাদের এই ঘটনায় যোগ পাওয়া যায় নি। তারা নাকি ঘটনাস্থলেই ছিলেন না - চার কিলোমিটার দূরের একটি গোশালায় ছিলেন - এমনটাই তদন্তে উঠে এসেছে বলে পুলিশ বলছে।

পুলিশের তরফে যদিও বলা হচ্ছে যে ওই ছয়জন ঘটনাস্থলে ছিলেন না, তবে পহেলু খান হাসপাতালে তার মৃত্যুকালীন জবানবন্দীতেই নির্দিষ্টভাবে এদের নাম জানিয়েছিলেন। তার পুত্র যাকেও মারা হয়েছিল, সেও ওই অভিযুক্তদের চিহ্নিত করেছে।

মৃত ওই দুধ ব্যবসায়ী পহেলু খানের ছেলে ইরশাদ খান বিবিসিকে বলছিলেন, বাবা তো দুদিন হাসপাতালে বেঁচে ছিলেন, এক ইন্সপেক্টর এসেছিলেন বয়ান রেকর্ড করতে। তাকে স্পষ্ট করে এই ছয়জনের নাম বলেছিলেন বাবা। সেটাই ছিল তার মৃত্যুকালীন জবানবন্দি। তারপরেও তারা ছাড়া পেয়ে গেল। আমরা এখন সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হব। সেখানে আশা করি ন্যায়বিচার পাব। বিবিসি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ