মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ওমরাহ যাত্রীদের ওপর হামলা গুরুতর অপরাধ: সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটির চাঁদপুর জেলা কমিটি গঠন তুরস্কের ইবন হালদুন বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে আজহারী কঠোর পর্দা মেনেও সেরা বিজ্ঞানীর তালিকায় সৌদি অধ্যাপক নাজলা রাদ্দাদি আল-হাইআতুল উলয়ায় চাকরি, আবেদন ২০ অক্টোবর পর্যন্ত ৯৫ শতাংশ মুসলিমের দেশ আজারবাইজানে হিজাব নিষিদ্ধের পাঁয়তারা! ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার মাওলানা নাসরুল্লাহ বদরের লাশ দ্রুত দেশে আনার দাবি জমিয়তের সাইবার আইনে সাংবাদিকদের ভয়ের কোনো কারণ নেই: আইনমন্ত্রী

নিজের ছেলেকে পুলিশে দিলেন স্বপ্না বেগম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় একজন নিরপরাধ অটোরিকশা চালককে অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর দায়ে নিজের ছেলেকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন এক মা।

সোমবার সকালে সুনামগঞ্জের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার তাপস রঞ্জন ঘোষের কার্যালয়ে এসে ছেলে সালমান ইসলামকে সোপর্দ করেন মা স্বপ্না বেগম। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।

সালমানের বাড়ি সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার পৈন্দা গ্রামে। গত আগস্ট মাসে সুনামগঞ্জ সদর থানায় এ মামলাটি দায়ের করা হয়।

এ সময় স্বপ্না বেগম অশ্রুসজল কণ্ঠে বলেন, আমার ছেলে নির্দোষ একজন মানুষকে ফাঁসিয়েছে। তাই নিজেই ছেলেকে পুলিশে সোপর্দ করতে এসেছি।

পুলিশ ও বিভিন্ন তথ্যসূত্রে জানা যায়, গত ১৪ আগস্ট সুনামগঞ্জ শহরের একটি সিএনজি ফিলিং স্টেশন থেকে জগন্নাথপুর উপজেলার পূর্ব বুধারাইল গ্রামের অটোরিকশা চালক নূর মিয়াকে (৩৮) লোহার তৈরি একটি পাইপগানসহ আটক করে পুলিশ।

এ ঘটনায় সুনামগঞ্জ সদর থানায় নূর মিয়ার বিরুদ্ধে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়। পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে অটোরিকশা চালক নূর মিয়া নির্দোষ। তাকে গ্রাম্য বিরোধের কারণে ফাঁসানো হয়েছে। ওই মামলায় এক মাস ১১ দিন কারাভোগের পর ছাড়া পান তিনি।

পুলিশ জানায়, গ্রাম্য বিরোধের কারণে নূর মিয়া এবং তার দুই চাচাতো ভাই আকবুল মিয়া ও সুমিম মিয়াকে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র করেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী কয়েছ মিয়া (৩৫)।

এতে জড়িত ছিলেন গ্রামের আনিছুর রহমান ও সালমান ইসলাম। ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে নূর মিয়ার অটোরিকশায় পাইপগান রেখে পরিকল্পিতভাবে পুলিশের কাছে ধরিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে ভিন্ন ঘটনা।

পুলিশের তদন্তে ঘটনাটি বেরিয়ে আসার পর নিজেদের জালে নিজেরাই ফেঁসে যান যড়যন্ত্রকারীরা। অস্ত্র মামলায় উল্টো আসামি হন কয়েছ মিয়া, আনিছুর রহমান ও সালমান ইসলাম।

তাদের মধ্যে কয়েছ মিয়াকে ২৯ অক্টোবর সিলেট এমএজি ওসমানী বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জামিনে আছেন অপর আসামি আনিছুর রহমান।

মা কর্তৃক পুলিশে সোপর্দ হওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় সালমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি ভুল করেছি। আমার আম্মা ফোনে আমাকে বুঝিয়ে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করার কথা বলেন। আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি। আমার মায়ের কথা মেনে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছি।’

আরএম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ