সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ

যে চিঠি পুরস্কার পেল ১০ হাজার টাকার বই

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

[রবিউল আউয়াল মাস উপলক্ষে আওয়ার ইসলাম আয়োজন করেছিল নবীজিকে চিঠি লেখার প্রতিযোগিতা। এতে কয়েকশ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। পুরস্কার দেয়া হয় ৩০ জনকে। ১ম পুরস্কার বিজয়ী পান ১০ হাজার টাকার বই। ১ম পুরস্কার পেয়েছেন জামিয়া কারিমিয়া রামপুরার শিক্ষার্থী ইমদাদুল্লাহ সাজ্জাদ।

ব্যতিক্রমী এ আয়োজনের সহযোগিতায় ছিল শাহীন শিক্ষা পরিবার, রকমারি ডটকম, মাকতাবাতুল ইসলাম, মাদানী কুতুবখান ও মাদারাসাতুল হিকমাহ ঢাকা। আওয়ার ইসলাম পাঠকদের জন্য ১ম পুরস্কার বিজয়ীর চিঠি প্রকাশ করা হলো]

তোমাকে, হে হৃদয়োদ্যানের পুষ্পিত মালাকর!

الصلاة والسلام عليك يا رسول الله الصلاة والسلام عليك يا حبيب الله
الصلاة والسلام عليك يا شفيع المذنبين الصلاة والسلام عليك يا رحمة للعلمين

হে প্রিয় আহমদ!
হৃদয়ে ভালোবাসার সর্বোচ্চ আসনে সমাসীন হে প্রিয় মুহাম্মদ!

জানো!
ওই পূব দিগন্তে প্রতিদিন সূর্য হাসে হৃদয়কে লালিম করে।

সন্ধ্যায় আবার মনের পশ্চিম কোণে আল বিদা বলে জগতের সকল সৌন্দর্যকে ধারণ করে। আঁধারের বোরখা যখন ঢেকে ফেলে পৃথিবীর শরীর, হারিয়ে যাওয়া শাদা বেলুনের মতো খেজুরগাছের মাথায় ভাসে তখন জোছনাধোয়া চাঁদনি। আলো-আঁধারির ফাঁকে ফুলবাগিচার পুষ্প-ঘ্রাণে যখন থোকায় থোকায় জোনাক জ্বলে, লালিম মনে চাঁদনি রাতে কার মন তখন ঘরে থাকে বলো?

ফুলের ঘ্রাণে জোনাকির ঝাড়বাতির পিছে কার না তখন মন ছুটে যায় বলো?
কিন্তু জানো, হে প্রিয় মুদ্দাসসির!

এই স্বর্গীয় সৌন্দর্যের মাঝেও আমার তখন ভালো লাগে না। কিচ্ছু ভালো লাগে না। কারণ, হে প্রিয় মুযযাম্মিল! তুমি যে নেই পাশে। তাহলে কী হবে বলো এতসব সৌন্দর্য দিয়ে?

হে প্রিয় মুযাক্কির!
যদি তুমি থাকতে, কত কথা বলতাম তোমার সাথে, বদ্ধ হৃদয়ের কপাট খুলে!
সুখ-দুঃখের।

আনন্দ-বেদনার। প্রাপ্তি-বঞ্চনার।
কত কথাই না বলতাম!

হায়! কত না হতভাগা আমি!
না পেলাম তোমার সাক্ষাত।

না পেলাম তোমার মোলাকাত।

আহ! কতই না আনন্দের হতো! যদি হতাম আরবের কোনো শিশু, আমার পাপড়ি-ঠোঁটে বুলিয়ে দিতে তুমি, তোমার সোনালি হাতের মায়াবি পরশ!

কিংবা হতে পারতাম যদি, মদিনার ওই স্বাগত মিছিলের কোনো সৌভাগ্যবান কিশোর, তলাআল বাদরু আলাইনা'র সুরে বিমোহিত করে তোমায়, মুগ্ধ নয়নে দেখতাম শত পূর্ণিমার উদয়।

হে প্রিয় সিরাজাম মুনিরা!
আর কতদিন! আর কতদিন দূরে থাকবে বলো! একটু এসো, অন্তত একবার এ আশিকের হৃদয়-জগতকে আলোকিত করো।

হে প্রিয় আবুল কাসিম!
জানো, যখন রবিউল আউয়াল আসে, প্রতি ভোরে আমি হাসি- সুহাসিনà