আওয়ার ইসলাম: আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরু হবে৷ তবে মিয়ানমার ঘোষণা দিয়েছে যে, তারা শুরুতে মাত্র ৪৫০ জন হিন্দু রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে৷ মিয়ানমারের এই ঘোষণা কেন? এর নেপথ্যেই বা কী?
বুধবার মিয়ানমারের সমাজকল্যাণ, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী ড. উইন মিয়াত আইয়ি নেপিদোতে মিয়ানমারের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকে জানিয়েছেন, প্রত্যাবাসনের প্রথম ধাপে, অর্থাৎ ২২ জানুয়ারি ৪৫০ জন হিন্দু শরণার্থীকে বাংলাদেশ থেকে ফেরত নেয়া হবে৷
মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল নিউ লাইটস অফ মিয়ানমার এ খবর দিয়ে বলেছে, মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান পুরো প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ রাখার তাগিদ দিয়েছেন৷
এদিকে প্রথম দফায় ফেরত পাঠানোর জন্য প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর নাম তালিকাভূক্ত করেছে বাংলাদেশ৷
শুক্রবার দুপুরে কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ও বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ শেষে সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের জানান, ‘‘আগামী ২২ জানুয়ারির মধ্যে এক লাখ রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারের ফেরত পাঠানো হবে৷ এ জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার৷ ইতিমধ্যে এর জন্য একটি ‘ওয়ার্কিং গ্রুপ' গঠন করা হয়েছে৷ ওয়ার্কিং গ্রুপের মাধ্যমে আজ-কালের মধ্যে এক লাখ রোহিঙ্গার তালিকা মিয়ানমার সরকারকে হস্তান্তর করা হবে৷''
তিনি আরো বলেন, ‘‘আমরা মনে করি, রোহিঙ্গারা সম্মানের সঙ্গে মিয়ানমারে ফেরত যাবে৷ এ জন্য প্রত্যাবাসন চুক্তি ও ‘ওয়ার্কিং গ্রুপ' গঠন করা হয়েছে৷ এই দল দ্রুত সময়ের মধ্যে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের ফিরিয়ে নেওয়ার কাজ করছে৷ শেখ হাসিনার সরকার যত দ্রুত সম্ভব রোহিঙ্গাদের নিরাপদে এবং নিজ দেশে ফেরত পাঠাবে৷ সেজন্য জাতিসংঘসহ বিশ্ব সম্প্রদায়ের সহযোগিতায় কাজ করে যাচ্ছে যৌথ বা ‘জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ'৷''
রাখাইনে নির্যাতনের মুখে ২৫ আগস্ট থেকে বাংলাদেশে ৬ লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী এসেছে বাংলাদেশে৷ রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যে চুক্তি সই হয় গত ২৩ নভেম্বর৷ সেখানে দু'মাসের মধ্যে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার কথা বলা হয়৷
এছাড়া দু'সপ্তাহের মধ্যে একটি যৌথ ‘ওয়ার্কিং