রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ ।। ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
নবী-সাহাবি নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য, তোপের মুখে ক্ষমা চাইলেন ‘জামায়াতি’ বিশ্লেষক ১৭ জুন থেকে সারাদেশে নূরানী বোর্ডের ষান্মাসিক জোড় শুরু প্রাথমিকে সংগীত শিক্ষক নিয়োগে মন্ত্রিপরিষদের সম্মতি নেই: শিক্ষামন্ত্রী আদ্-দ্বীনের শিক্ষার্থীদের ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অন্য হাসপাতালে যুক্ত করার নির্দেশ বজ্রপাতে মাদরাসার শিক্ষকসহ মৃত্যু ২ জামিন পেলেন মুফতি আমির হামজা নারীদের জন্য দেড় হাজার শয্যার দুই বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের কওমি শিক্ষাধারায় যে সংকট বাড়ছে সৈয়দ জাফর ছাদেক রহ.: মানুষ ও মানবতার আশ্রয় মিরপুরে সাইনবোর্ড লাগাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ৩ মাদরাসা শিক্ষার্থী

এরদোগানের প্রশংসায় পঞ্চমুখ আনোয়ার ইব্রাহিম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : মালয়েশিয়ার জনপ্রিয় নেতা আনোয়ার ইব্রাহিম বলেছেন, এরদোগান মালয়েশিয়ার মুসলমান এবং বাইরের মুসলমানদের প্রাণপ্রিয় নেতা। অত্যন্ত সাহসী এই নেতার জনপ্রিয়তার কারণ হলো তিনি ফিলিস্তিনের পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছেন এবং মধ্যপ্রাচ্যে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখছেন।

তুরস্কে সফররত মালয়েশিয়ার জনপ্রিয় নেতা আনোয়ার ইব্রাহিম প্রেসিডেন্ট রজব তায়্যেপ এরদোগানের সাথে সাক্ষাত করেছেন। তিনি এরদোগানকে সাহসী নেতা হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং বিশ্ব শক্তির বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার হিম্মতের জন্য প্রশংসা করেছেন।

এসময় তিনি তুরস্কের আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ও আগামী সংসদীয় নির্বাচনে এরদোগানকে তিনি সমর্থন করেছেন এবং তার বিজয়ের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

আনোয়ার ইব্রাহিম বলেছেন, এরদোগানই একজন নেতা যিনি বিশ্ব মোড়লদের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেয়ার সাহস দেখিয়েছেন। বিশ্বে খুব কম সংখ্যক নেতাই আছে যারা ন্যায়ের পক্ষে লড়াই করতে এগিয়ে যাওয়ার সৎ সাহস রাখেন।

আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, এরদোগান বিশ্বে বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর। আমি তিউনিসিয়া, পাকিস্তান, ভারতসহ বিভিন্ন দেশেই বলেছি- এরদোগান মুসলিম বিশ্বের সাহসী কণ্ঠস্বর। রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে আপনি স্বীকার করেন কিংবা না করেন সেটা ভিন্ন ব্যাপার। কিন্তু এরদোগানই একমাত্র ব্যক্তি যিনি ফিলিস্তিনের দখলদার ও তিার মিত্রদের বিরুদ্ধে কথা বলেন এবং রোহিঙ্গা মুসলিমদের পক্ষে কথা বলেন।

আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, প্রতিটি দেশেরই নিজেদের ভাগ্য গড়ার সক্ষমতা থাকা উচিৎ। আমি চাই না আমি কিংবা আমার দেশ পশ্চিমাদের এজেন্ডা, চাইনিজদের এজন্ডা, আমেরিকানদের এজেন্ডা কিংবা যুক্তরাজ্যের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করুক। তুরস্কের জনগণই ঠিক করবে তুরস্কের ভবিষ্যত কী হবে। পশ্চিমারা কিংবা লিবারেল এজেন্ডা দ্বারা তুরস্ক পরিচালিত হবে না।

আরও পড়ুন : এরদোগান কি জয়ের মুখ দেখতে পারবেন?


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ