সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

পৃথিবীর সেরা ১০টি স্বাস্থ্যকর খাবার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: প্রতিদিন কোন খাবার খাবো বা কোন খাবারে শরীরের কী উপকার করে, তার কতটুকুই বা আমরা জানি। ভালো খাবার যেমন ভালোভাবে বাঁচিয়ে রাখে, তেমনি খারাপ খাবার ডেকে আনে বিড়ম্বনা। সবকিছু চিন্তা করে আমেরিকান ওয়েবসাইট ‘লাইভ হেলথ কাব’ নির্বাচন করেছে পৃথিবীর সেরা কিছু স্বাস্থ্যকর  খাবার। আসুন জেনে নেই:

শিম, বরবটি এবং মটরশুঁটি

শিম, বরবটি এবং মটরশুঁটি অতি আঁশযুক্ত একটি খাবার। এগুলো শরীরের ওজন এবং রক্তের চিনি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এছাড়া মলাশয় ক্যানাসার এবং হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। আমেরিকার ‘দ্য ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব মেডিসিন’ মনে করে প্রতিদিন প্রত্যেকের খাবারে ২৫-৩৮ গ্রাম আঁশ খাওয়া উচিত। এক কাপ শিমে ১১-১৭ গ্রাম আঁশ থাকে।

জাম
জাম একটি আঁশযুক্ত  ফল। সব ধরনের জামই কম শর্করাসমৃদ্ধ এবং বেশি আঁশযুক্ত, যা যে কোনও বয়সী মানুষের স্বাস্থের জন্য উপকারি। এটি স্মৃতি বাড়ায় এবং গবেষণা ও পড়ালেখায় উৎসাহ যোগায়। আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটির মতে, ফলটি ক্যানসার প্রতিরোধেও সাহায্য করে।
বাদাম 
যারা সপ্তাহে কয়েক দিন বাদাম খান আর যারা খান না, এক গবেষণায় দেখা গেছে, বাদাম খাওয়া ব্যক্তিরা ৩০ থেকে ৫০ ভাগ হার্ট এটাকের ঝুঁকিমুক্ত। সাথে সাথে অন্যান্য হৃদরোগ থেকেও ঝুঁকিমুক্ত। বাদাম চুলের জন্যও উপকারী।

ওয়াইল্ড স্যামন

সামুদ্রিক এ মাছটি ইউরোপ এবং আমেরিকান খাবার হিসেবেই পরিচিত। সাধারণভাবে যেকোনো মাছই বার্ধক্য রোধ করে, তবে এ মাছটি বেশি উপকারী। এ মাছে ওমেগা থ্রি নামে যে চর্বি থাকে তা হৃদপিণ্ড এবং মস্তিস্ক সুস্থ রাখে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

প্রাকৃতিক দুধ

অপরিশোধিত দুধ যা সাধারণত ঘাস খাওয়া গরু থেকেই আসে। প্রাকৃতিক এ দুধ ক্যান্সারের সাথে লড়তে পারে। দুধ যেমন শক্তিশালী ভিটামিনের উৎস, তেমনি এতে আছে খনিজ পদার্থ যা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

তৃণভোজী প্রাণির মাংস

ঘাস খাওয়া গরুর মাংস এবং বাজারে বিক্রি হওয়া সাধারণ মাংসের নানা পার্থক্য রয়েছে। এর মাংসে এক ধরনের চর্বি আছে যা ক্যান্সার রোধে সহায়ক। এটি প্রাণিজ আমিষ এবং ভিটামিন বি-১২ এর চমৎকার উৎস ।

ডিম

বিভিন্ন দিক বিবেচনায় দেখা যায়, ডিম অন্যতম একটি পরিপূর্ণ খাবার। ডিমে আমিষ থাকে বেশি কিন্তু সে তুলনায় ক্যালরি থাকে স্বল্প পরিমাণে। ডিমের কুসুমে থাকা ‘কোলিন’ মস্তিষ্কের জন্য খুব উপকারী । এর মধ্যে আছে চোখের জন্য খুব দরকারি উপাদান। এটিও ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। এছাড়া ডিমে আছে নানা ধরনের ভিটামিন, খনিজ এবং ক্যালসিয়াম।

আপেল

আপেল যে শুধু খেতে সুস্বাদু তা নয়, এটি ক্যান্সার এবং হাঁপানি রোধে সহায়তা করে। একটি আপেলে ৫ গ্রাম আঁশসহ নানা রকমের উন্নত ভিটামিন থাকে। যেমন এতে আছে হাড় মজবুতকারী ভিটামিন ‘কে’। ফুসফুসের প্রদাহ নিয়ন্ত্রণেও এটি সমানভাবে কাজ করে।

পেঁয়াজ এবং রসুন

অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, পেঁয়াজ এবং রসুন পাকস্থলি, প্রোস্টেটসহ বিভিন্ন ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক। ফুলকপি, চা এবং পেঁয়াজ-রসুন এমন ধরনের খাবার, যা মানুষের হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

বেদানা

গবেষকরা বেদানাকে ‘প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা’ বলে অভিহিত করেছেন। এটি রক্তসঞ্চালনে যেমন সহায়তা করে, তেমনি দাঁতের ব্যাকটেরিয়াও দমন করে। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, এটি টিউমারও প্রশমন করে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ