সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৪ মাঘ ১৪৩২ ।। ৩০ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঢাকা-১১ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাহিদ ইসলামকে শোকজ ইন্দোনেশিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহতের আশঙ্কা সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সংহতি প্রকাশ শায়খে চরমোনাইয়ের আসনে প্রার্থী না দেওয়ার ঘোষণা জামায়াতের ‘তাঁর বাংলা ভাষাজ্ঞান ছিল ঈর্ষণীয়, মেধায় ছিলেন তুখোড়’ ভারতে খালি বাড়িতে নামাজ পড়ার অভিযোগে আটক ১২ শায়খ আহমাদুল্লাহর সঙ্গে ছবি তোলায় শোকজ, প্রতিবাদ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না : আখতার হোসেন নূরানী বোর্ডের কেন্দ্রীয় সনদ পরীক্ষার মেধাবীদের পুরস্কার বিতরণ শুরু জোটের স্বার্থে মনোনয়ন প্রত্যাহার জমিয়ত নেতা ড. শোয়াইব আহমদের

ফেলে দেওয়া মাংস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে জাপান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জাপান নতুন এক প্রযুক্তি চালু করেছে, যা ফেলে দেওয়া খাদ্য-বর্জ্য বিশেষ করে মাংস রিসাইক্লিনিং করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে থাকে।

গত অগাস্টে জাপানের জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন ‘জে বায়ো ফুড রিসাইকল’ নামের একটি কোম্পানি তৈরি করে। এই কোম্পানিই মূলত ফেলে দেওয়া মাংস রিসাইকেল করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ওই প্রকল্প চালু করে।

এ প্রকল্পে জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশনের সহযোগী হলো ইস্ট জাপান রেলওয়ে কোম্পানি এবং জে আর ইস্ট এনভায়রনমেন্ট অ্যাকসেস।

কোম্পানি সূত্র জানায়, ফেলে দেওয়া মাংস থেকে বিদ্যুৎ তৈরি করে তা বাজারে বিক্রিও করছে তারা।

জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশনের প্রেসিডেন্ট হাজিমি ওশিতা বলেন, ‘আমরা যেসব কারখানায় মাংস প্রক্রিয়াকরণ করা হয়, সেখান থেকে ফেলে দেওয়া মাংসের টুকরো সংগ্রহ করি। সেই বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ তৈরি হয়। আমরা চাই, প্রকৃতিকে যথাযথভাবে ব্যবহার করতে।

ওই বিদ্যুৎ প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা পরিবেশকে রক্ষা করছি, সেই সঙ্গে তৈরি করছি শক্তি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওই প্রকল্পে প্রতিদিন ৮০ টন ফেলে দেওয়া খাবারের মাইক্রোবিয়াল ফারমেন্টেশনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার হয় মিথেন গ্যাস।

আমরা খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ কারখানা থেকে যে বর্জ্য সংগ্রহ করি তাকে প্রথমে জৈব ও অজৈব, দুই ভাগে ভাগ করা হয়। খাবার যে প্ল্যাস্টিকের পাত্রে থাকে ও যে কাগজে মুড়ে দেওয়া হয়, তা আলাদা হয়ে যায়।’

হাজিমি ওশিতা জানান, প্রথমে জৈব পদার্থের ময়েশ্চার অ্যাডজাস্টমেন্ট করা হয় । তার পরে পাঠানো হয় ফারমেনটেশন ট্যাঙ্কে। সেখানেই বায়োগ্যাস তৈরি হয়। এই বায়োগ্যাস যায় গ্যাস হোল্ডারে। সেখানেই তৈরি হয় বিদ্যুৎ। এর ফলে বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইড মেশার সম্ভাবনা থাকে না।

সূত্র: ইকনোমিক টাইমস


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ