মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৬ মাঘ ১৪৩২ ।। ১ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
রমজান ও নির্বাচন সামনে রেখে এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিতের নির্দেশ অর্ধশতাধিক আসনে খেলাফত মজলিসের মনোনয়ন প্রত্যাহার হান্নান মাসউদকে সমর্থন জানিয়ে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার মায়ের দোয়া অনুষ্ঠানে ইমামকে অনন্য সম্মান তারেক রহমানের জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করলেন প্রধান উপদেষ্টা মা-বোনদের স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নিতে চাই : তারেক রহমান রমজানে একজন দক্ষ দাঈ হিসেবে গড়ে তোলার আয়োজন আস-সুন্নাহর ২৯ আসনে খেলাফত মজলিসের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ সিলেট-৩: মুসলেহ উদ্দীন রাজুকে সমর্থন জানিয়ে সরে গেলেন তিন প্রার্থী যে কারণে একের পর এক খুন করেন সম্রাট

প্রধানমন্ত্রী হলে মমতার পাকিস্তান নীতি কেমন হবে, প্রশ্ন মোদীর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতে এবার আঞ্চলিক দলের নেতৃত্বে সরকার হবে বলে বার বার দাবি করে আসছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সরকারে তৃণমূল কংগ্রেসের বড় ভূমিকা থাকবে বলেও নির্বাচনী প্রচারে বলছেন তিনি। এবার রাজ্যে প্রচারে এসে সেই ইস্যুতেই মমতাকে আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মমতা প্রধানমন্ত্রী হলে পাকিস্তান নীতি কেমন হবে তা নিয়ে আসানসোলে নির্বাচনী জনসভা থেকে রীতিমতো বিদ্রুপ করলেন মোদী।

এদিন বাবুল সুপ্রিয়র সমর্থনে জনসভা থেকে মোদী বলেন, “আমাদের দিদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ারও স্বপ্ন দেখছেন। যদি সেই পদ মিলে যায়, তবে কংগ্রেস আর তৃণমূলের মধ্যে নিলাম হবে দুর্নীতিতে কে কত মাল লুটেছে তা নিয়ে।”

এর পরে স্পষ্ট বিদ্রুপের সুরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী পদ সারদা, নারদার পয়সায় কেনা যায় না। ১৩০ কোটি দেশবাসীর আশির্বাদে প্রধানমন্ত্রী হওয়া যায়।”

রাজ্যে প্রতিটি নির্বাচনী সমাবেশেই সার্জিক্যাল স্ট্রাইক প্রসঙ্গে তৃণমূলনেত্রীকে বিঁধে চলেছেন মোদী। এদিনও তা বাদ যায়নি। শুধু আক্রমণ করাই নয়, এদিন চিটফান্ড ও পাকিস্তান প্রসঙ্গ মিলিয়ে দিয়ে বিদ্রুপের সুর জুড়েছেন তিনি। বলেছেন, “দিদি আপনাকে এটাও তো জবাব দিতে হবে যে, প্রধানমন্ত্রী হলে আপনার রোজভ্যালি থেকে আনা ফুল দিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করবেন কি? রোজভ্যালির ফুল দিয়েই কি পাকিস্তানকে মানিয়ে নেওয়া যাবে? জঙ্গিদের বলবেন কি যে নিজেরা সবাই সন্ত্রাসবাদী হওয়ার প্রমাণ নিয়ে এস?”

এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিরোধীদের ব্রিগেড সমাবেশে ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লার উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “কলকাতায় হাত ধরে নেচেছিলেন আপনারা। যাঁর হাত ধরে কলকাতায় সব নেতা নেচেছিলেন তিনি বলছেন, জম্মু-কাশ্মীরে আলাদা প্রধানমন্ত্রী চাই। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় কাশ্মীরকে ভারতের অঙ্গ করার জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, এক দেশে ‘দুই প্রধান, দুই নিশান, দুই বিধান’ চলবে না। আর আজ যে সেই দাবি তুলেছে তার হাত ধরেই ‘মোদী হঠাও’ স্লোগান তুলেছেন। দিদি আপনিও কি চান হিন্দুস্থানে দু’জন প্রধানমন্ত্রী হোক? পশ্চিমবঙ্গ জানতে চায়, দিদি সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পরে পাকিস্তানের জন্য আপনি যে কেঁদেছিলেন সেটাই কি আপনাদের নীতি?”

কেপি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ