মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৬ মাঘ ১৪৩২ ।। ১ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
রমজান ও নির্বাচন সামনে রেখে এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিতের নির্দেশ অর্ধশতাধিক আসনে খেলাফত মজলিসের মনোনয়ন প্রত্যাহার হান্নান মাসউদকে সমর্থন জানিয়ে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার মায়ের দোয়া অনুষ্ঠানে ইমামকে অনন্য সম্মান তারেক রহমানের জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করলেন প্রধান উপদেষ্টা মা-বোনদের স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নিতে চাই : তারেক রহমান রমজানে একজন দক্ষ দাঈ হিসেবে গড়ে তোলার আয়োজন আস-সুন্নাহর ২৯ আসনে খেলাফত মজলিসের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ সিলেট-৩: মুসলেহ উদ্দীন রাজুকে সমর্থন জানিয়ে সরে গেলেন তিন প্রার্থী যে কারণে একের পর এক খুন করেন সম্রাট

‘বাবরি মসজিদ ভাঙায় আমিও ছিলাম’ বলে প্রচারণায় ৩দিন নিষিদ্ধ প্রজ্ঞা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বাবরি মসজিদ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করায় আজ বৃহস্পতিবার থেকে তিনদিন প্রচারণা চালাতে পারবেন না ভারতের ভোপালের বিজেপি প্রার্থী সাধ্বী প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর।

এবার মালেগাঁও বিস্ফোরণের অন্যতম আসামি এই প্রজ্ঞাকেই ভোপাল থেকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। তার বিপক্ষে আছেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা তথা মধ্যপ্রদেশের ১০ বছরের মুখ্যমন্ত্রী দ্বিগবিজয় সিং।

প্রজ্ঞা বলেছিলেন, বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ঘটনায় তিনি নিজেও যুক্ত ছিলেন এবং সেটা তার  কাছে অত্যন্ত গর্বের বিষয়। তার এই মন্তব্যের জন্যই প্রচারণা প্রক্রিয়া থেকে তিন দিনের জন্য সরে যেতে হবে সাধ্বীকে। আজ ভোর ৬টা থেকে আগামী তিনদিন কোনোরকম নির্বাচনী প্রচারণা করতে পারবেন না ভোপালের এই বিজেপি প্রার্থী।

টিভি ৯-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মাসের গোড়ার দিকে সাধ্বী বলেছিলেন, ‘বাবরি মসজিদ ভেঙে আমরা দেশ থেকে একটা কালো দাগ সরিয়ে দিয়েছিলাম। আমরা গোটা কাঠামোটাই ভেঙে ফেলতে গিয়েছিলাম। সেই সুযোগ ঈশ্বর আমায় দিয়েছেন বলে আমি নিজেকে অত্যন্ত ভাগ্যবান মনে করি। আমি তার কাছে কৃতজ্ঞ। মন্দির যাতে ওখানে হয় তা আমরা নিশ্চিত করবো।’

তার এ মন্তব্যের পর নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রজ্ঞাকে নোটিশ পাঠানো হয়। তার জবাবে এমন মন্তব্য করার কথা স্বীকার করে নেন প্রজ্ঞা। পরে বছর পঞ্চাশের এই বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলাও করে পুলিশ।

বিজেপিতে যোগ দিয়ে প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই একাধিক বিতর্কে জড়িয়েছেন এই কট্টর হিন্দুত্ববাদী নেত্রী। প্রথমে তিনি বলেছিলেন, ২০০৮ সালে মুম্বাই হামলায় নিহত পুলিশ কর্মকর্তা হেমন্ত কারকারের মৃত্যু হয়েছিল তার অভিশাপে।

মহারাষ্ট্র এটিএসের প্রধান হিসেবে মালেগাঁও বিস্ফোরণে তদন্ত করেছিলেন হেমন্ত। সেই সময় হেমন্তকে অভিশাপ দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন সাধ্বী। আর এটাও বলেন, সেই ঘটনার দুই মাসের মধ্যেই মৃত্যু হয়েছিল হেমন্তের।

কেপি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ