মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ ।। ২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর বগুড়াসহ ১৩ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে ‘সংসদে মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান প্রদর্শন শিরকের কাছে চলে যায়’ লেবাননে ইসরায়েলি হামলা সমঝোতা চুক্তির ‘লঙ্ঘন’ হিসেবে বিবেচিত হবে: আরাগচি জিহাদ, খেলাফত ও ক্ষমতার রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে মাইক্রোবাস, হতাহত ১১ ইরান বন্দরে মার্কিন নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার, জাহাজ চলাচল শুরু ক্যালিফোর্নিয়ায় যুদ্ধ বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৮ ‘খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে’র নতুন চেয়ারম্যান শফিকুল আলম মনা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে সিলেটে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ, আটক ৪

ছাত্রীনিবাস থেকে স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার, গ্রেফতার ৩

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: শেরপুর শহরের সজবরখিলা এলাকার ফৌজিয়া মতিন পাবলিক স্কুলের ছাত্রীনিবাস থেকে আনুশকা আয়াত বন্ধন (১৪) নামে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।

শনিবার (৬ জুলাই) রাতে নিহতের বাবা আনোয়ার জাহিদ বাবু মৃধা বাদী হয়ে সদর থানায় ওই মামলা করেন।

মামলা গ্রহণের পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি ওই স্কুলের পরিচালক আবু ত্বাহা সাদীসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে। অন্য দুজন হচ্ছেন- সাদীর স্ত্রী নাজনীন মোস্তারি নূপুর ও তার বড়ভাই শিবলী।

শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহা. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ফৌজিয়া-মতিন পাবলিক স্কুলের ছাত্রী বন্ধনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বাবার অভিযোগের প্রেক্ষিতে একটি হত্যা মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। সেই মামলায় ফৌজিয়া মতিন পাবলিক স্কুলের পরিচালক, তার স্ত্রী ও এক ভাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় যেহেতু একটি হত্যা মামলা হয়েছে, তাই পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ছাড়া কিছু বলা সম্ভব নয়।

উল্লেখ্য, গতকাল (৬ জুলাই) দুপুরে জেলা হাসপাতাল থেকে পুলিশ আনুশকা আয়াত বন্ধনের মরদেহে উদ্ধার করে। ওমান প্রবাসী শ্রীবরদী উপজেলার পূর্ব ছনকান্দা গ্রামের আনোয়ার জাহিদ বাবুল মৃধার মেয়ে সে। শহরের সজবরখিলা এলাকার ফৌজিয়া মতিন পাবলিক স্কুলের ছাত্রীনিবাসে থেকে ওই স্কুলে লেখাপড়া করতো।

শনিবার সকালে বন্ধনকে নিজ কক্ষে ওড়না পেঁচিয়ে সিলিংয়ের সঙ্গে ঝুলে থাকতে দেখে এক ছাত্রী চিৎকার দিলে স্কুল কর্তৃপক্ষ তাকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে পাঠায়। এ সময় সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে দাবি করেছেন স্কুল কর্তৃপক্ষ।

তবে পরিবারের লোকজন দাবি, তাকে (বন্ধনকে) হত্যার পর আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়। এ ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন।

খবর পেয়ে জেলা পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীম ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ জেলা হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তকালে উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরে বিস্তারিত জানাতে পারব।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ