শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার

ঢামেকে দফায় দফায় সংঘর্ষে আহত ২০

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসতাপাতালে রিপোর্ট নেওয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের ঢামেক জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

আজ রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢামেকের নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলার প্যাথলজি বিভাগে এ সংঘর্ষ হয়।

জানা গেছে, দফায় দফায় এ সংঘর্ষ চলে। শেষমেষ সংঘর্ষ থামাতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মাইকিং করে সংঘর্ষকারীদের শান্ত হতে অনুরোধ করেন ঢামেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন। তার আহ্বানে সংঘর্ষ থামলেও পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক হয়নি।

ঢামেক সূত্র জানিয়েছে, রক্তের রিপোর্ট দিতে দেরি হওয়ার কারণে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে এ সংঘর্ষ বাধে। ঢামেক জরুরি বিভাগে ডিউটিরত ব্রাদার মো. রাসেলের সঙ্গে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

তিনি জানান, দুপুর সাড়ে ১২টায় আমার এক আত্মীয়ের রক্তের রিপোর্ট আনতে আমি প্যাথলজি বিভাগে যাই। নিয়ম অনুযায়ী আমি সেখানে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম।

অনেকক্ষণ লাইনে থাকার পরও রিপোর্ট না পেয়ে আমি রিপোর্ট প্রদানকারী কর্মকর্তাকে দেরি হওয়ার কারণ জানতে চাই। ওই কর্মকর্তা আমাকে জানান যে, আপনি ব্রাদার হলেই আপনার রিপোর্ট তাড়াতাড়ি দেব, এমন কোনো কথা আছে?

এর পর পরই তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে রিপোর্ট প্রদানকারী ওই ব্যক্তি ব্রাদার রাসেলের কলার ধরে মারধর করে। এ সময় আরও তিনজন এর প্রতিবাদ করলে বিষয়টি সংঘর্ষে রূপ নেয়।

ঘটনাটি হাসপাতাল পরিচালক বিগ্রেডিয়ার এ কে এম নাসির উদ্দিন জানার পরপর তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সংঘর্ষ থামান।

সবার উদ্দেশে তিনি বলেন, এটা হাসপাতাল। মানুষ চিকিৎসার জন্য আসে, আপনারা সবাই শান্ত হোন। কী হয়েছে? বিষয়টি নিয়ে পরে আলোচনা হবে বলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন তিনি।

প্যাথলজি বিভাগের একটি সূত্র জানায়, ঢাকা মেডিকেলে চতুর্থ শ্রেণি ও টেকনোলজিস্টদের মধ্যে এ সংঘর্ষ ঘটেছে। সংঘর্ষে রোগী বা বহিরাগত কারও সংযোগ নেই।

বরং প্যাথলজি বিভাগে তাদের হাতাহাতি ও মারামারিতে সাধারণ রোগীরাও আহত হয়েছেন। এতে তাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করে। ঘটনার সময় রোগী ও তদের স্বজনদের আতঙ্কে দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করতে দেখা গেছে।শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি বলে জানা গেছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ