শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ চায় বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বলেছেন, তারা যেন রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফিরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।

বৃহস্পতিবার ঢাকায় বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতের সাথে এক বৈঠকে তিনি একথা বলেন।

মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফেরত পাঠানোর দ্বিতীয় প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবার সাত দিন পরেই এই বৈঠক করা হয়। কক্সবাজারে বিভিন্ন ক্যাম্পে অবস্থিত রোহিঙ্গাদের নেতারা বলছেন, তারা মিয়ানমারের নাগরিকত্ব এবং তাদের জান-মালের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত দেশে ফিরে যেতে চান না।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতদের বলেন, মিয়ানমার যাতে রোহিঙ্গাদের আশ্বস্ত করে, সে লক্ষ্যে অং সান সু চির সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। 'রোহিঙ্গাদের নিশ্চয়তা দেবার দায়িত্ব মিয়ানমারের, বাংলাদেশের নয়.’ বলেন এ কে এম আব্দুল মোমেন বলেন। 'মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের আস্থা অর্জন করতে হবে,’ বৈঠক শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন।

বৈঠকে অংশ নেয়া কোন রাষ্ট্রদূত সাংবাদিকদের কোন প্রতিক্রিয়া জানাননি। বৈঠকে মিয়ানমার এবং চীনের কোন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। তবে চীনের রাষ্ট্রদূত-্এর আগে আব্দুল মোমেনের সাথে আলাদাভাবে সাক্ষাৎ করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে তিনি প্রস্তাব দিয়েছেন যে ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের যারা নেতৃত্ব দেন, যারা 'মাঝি' নামে পরিচিত, তাদের ৫০-১০০ জনেক মিয়ানমারে নিয়ে দেখানো হোক সেখানে পুনর্বাসন এবং নিরাপত্তার কী ব্যবস্থা করা হয়েছে। তার প্রস্তাবের জবাবে বিদেশী রাষ্ট্রদূতরা কী জবাব দিয়েছেন, সেটা জানা যায়নি।

মিয়ানমারের রাখাইন (আরাকান) প্রদেশ থেকে মূলত মুসলিম রোহিঙ্গারা প্রথম বাংলাদেশে উদ্বাস্তু হয়ে আসে ১৯৭৮-৭৯ সালে। এরপর ১৯৯২-৯৩ সালে আরেক দফা শরণার্থী সংকট দেখা দেয়। এ'দুবারই বেশির ভাগ শরণার্থীকেই মিয়ানমার ফিরিয়ে নিয়েছিল।

কিন্তু ২০১৭ সালের ২৫শে অগাস্ট রাখাইনে নতুন সংকট সৃষ্টি হয় এবং কয়েক মাসের মধ্যে প্রায় নয় লাখ শরণার্থী বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

অন্যদিকে, মিয়ানমার এখনো পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেবার কোন প্রতিশ্রুতি না দেয়ায় শরণার্থীদের কেউ ফিরে যেতে সম্মত হচ্ছে না।

সূত্র : বিবিসি

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ