আওয়ার ইসলাম: সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে তুর্কী সেনাবাহিনীর পরিচালিত অভিযান এর বিরুদ্ধে লড়তে এবার ইসরায়েলের কাছে সামরিক সহায়তা চাইলো কুর্দিরা।
টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, অস্ত্রবিরতির মার্কিন ঘোষণার পরও সীমান্ তুরস্কের সঙ্গে কুর্দিদের সামান্য লড়াই চলছে। ওয়াশিংটন মদতপুষ্ট সংগঠন এসডিএফ আইএসের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের লড়াইয়ে যুক্ত ছিল। তবে তুরস্ক ও ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন তাদের জঙ্গী-সন্ত্রাসী সংগঠন মনে করে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, কুর্দিদের এখন ভরসা-ইসরাইলের ইহুদীরা তাদের অবহেলা করবে না। তারা বলেছে, তুরস্কের সামরিক অভিযানে নারী ও শিশুদেরও প্রাণহানি হচ্ছে।
কুর্দি গেরিলাদের সংগঠন এসডিএফের এক কর্মকর্তা টাইমস অব ইসরাইলকে বলেন, ‘আমার বিশ্বাস ইহুদী জনগণ আমাদের কুর্দি জনগণের ভালোর জন্য বর্তমান বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে এগিয়ে আসবে। আমাদের আশা, তুর্কি ‘সন্ত্রাসীদের’ হাত থেকে আমাদের রক্ষায় তারা কোনো অবহেলা করবেন না।’
গত ১০ অক্টোবর কুর্দিদের ওপর সামরিক অভিযানের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বিবৃতি দিয়েছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সিরিয়ায় কুর্দি অভিযানের ‘মানবিক’ যে কোনো সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, সীমান্ত নিরাপদ, সিরিয়ার অখণ্ডতা ও সিরিয়ান শরণার্থীদের নিরাপদে ফিরিয়ে দিতে চলতি মাসের ৯ অক্টোবর থেকে উত্তর সিরিয়ায় অপারেশন পিস স্প্রিং শুরু করেছে তুর্কি সরকার।
তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন পিকেকে সংগঠনকে সন্ত্রাসী হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। ওই সংগঠনটির হাতে এ পর্যন্ত নারী, কিশোর ও শিশুসহ ৪০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।
-এটি