রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সৌদিতে চারটি ড্রোন ভূপাতিত, সামরিক সহায়তায় প্রস্তুত মিসর ডি-৮ মহাসচিবের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সাক্ষাৎ জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা প্রতিটি সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী তালাক বন্ধ করেছে ফ্যামিলি কার্ড: চিফ হুইপ শুরু হচ্ছে নতুন কুঁড়ি জাতীয় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা, পুরস্কার সাড়ে ১৩ লাখ টাকা হিন্দু-মুসলিম ঐক্য জোরদারে মাঠপর্যায়ে কাজ করতে হবে: আসজাদ মাদানি নতুন প্রজন্মকে হাদিস অধ্যয়নে আগ্রহী করতে ‘হাসানাহ হাদিস অলিম্পিয়াড ২০২৭’ সিলেট জেলা দক্ষিণ জমিয়তের ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল সম্পন্ন তাকওয়াই দুনিয়া-আখেরাতের সফলতার পথ: মসজিদে নববীর খতিব ইত্তেফাকুল উলামা বৃহত্তর মোমেনশাহীর কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটি গঠন

সিন্ডিকেটে বাতিল হলো ৮ ট্রাভেল এজেন্সির লাইসেন্স

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি সিন্ডিকেটের সঙ্গে যোগসাজশ করে এবং অসম চুক্তির সুযোগ নিয়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে চারটি গ্লোবাল ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম (জিডিএস) কম্পানি।

অ্যামাডিউস, অ্যাবাকাস, গ্যালিলিও ও সাবরি নামের এই চার কম্পানির লুটপাটের সহযোগী বিমানেরই তালিকাভুক্ত তিন শতাধিক ট্রাভেল এজেন্ট।

ভ্রমণের জন্য অপ্রয়োজনীয় টিকিট বুকিং দিয়ে তা বাতিলের মাধ্যমে বিমানের আর্থিক ক্ষতিসাধনের বিষয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটির তদন্তে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে আটটি ট্রাভেল কম্পানির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।

এজেন্সিগুলো হলো ট্রাভেল সেন্টার, মুনা ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুর লিমিটেড, সামস এয়ার ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস, মাদারল্যান্ড ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস, চৌধুরী ইন্টারন্যাশনাল, দারুল ইমান ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস, ঊর্মি ট্রাভেল এজেন্সি ও বিপ্লব ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল এজেন্ট।

আদেশে বলা হয়েছে, অপ্রয়োজনীয় টিকিট বুকিং এবং তা বাতিলের মাধ্যমে বিমানের আর্থিক ক্ষতিসাধনের কারণে আটটি ট্রাভেল এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।

তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট জিডিএস কম্পানির সঙ্গে যোগসাজশে প্রতারণা ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিজেদের লাভবান হওয়ার অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা হয়, উল্লিখিত ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে জুলাই ২০১৮ থেকে এপ্রিল ২০১৯ পর্যন্ত ৫৯৮টি টিকিটের জন্য বুকিং দেওয়া হয় এবং এ সময়ে ৪৯১টি টিকিট বাতিল করা হয়।

এদিকে অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের (আটাব) সভাপতি এস এন মঞ্জুর মোর্শেদ সরকারের এই পদক্ষেপকে লঘু পাপে গুরুদণ্ড বলে উল্লেখ করেছেন।

তিনি গতকাল বলেন, ‘জিডিএসের কেউ অপব্যবহার করে থাকলে এয়ারলাইনসের বিধি অনুযায়ী তাদের জরিমানা করা যেত। এটি লঘু পাপে গুরুদণ্ড হয়ে গেছে। আমরা মনে করি, মন্ত্রণালয়ের এটি বিবেচনা করা উচিত। কারণ সামান্য আর্থিক ক্ষতির কারণে এত বড় শাস্তিতে অনেক গ্রাহকের ভোগান্তি হবে।’

তদন্ত কমিটির সুপারিশে বিমানের টিকিট বিক্রি কার্যক্রম স্বচ্ছ করতে সংস্থার নিয়োজিত অডিট ফার্মের কাছ থেকে প্রতিবেদন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দায়ী এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ