সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৪ মাঘ ১৪৩২ ।। ৩০ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঢাকা-১১ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাহিদ ইসলামকে শোকজ ইন্দোনেশিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহতের আশঙ্কা সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সংহতি প্রকাশ শায়খে চরমোনাইয়ের আসনে প্রার্থী না দেওয়ার ঘোষণা জামায়াতের ‘তাঁর বাংলা ভাষাজ্ঞান ছিল ঈর্ষণীয়, মেধায় ছিলেন তুখোড়’ ভারতে খালি বাড়িতে নামাজ পড়ার অভিযোগে আটক ১২ শায়খ আহমাদুল্লাহর সঙ্গে ছবি তোলায় শোকজ, প্রতিবাদ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না : আখতার হোসেন নূরানী বোর্ডের কেন্দ্রীয় সনদ পরীক্ষার মেধাবীদের পুরস্কার বিতরণ শুরু জোটের স্বার্থে মনোনয়ন প্রত্যাহার জমিয়ত নেতা ড. শোয়াইব আহমদের

রুম্পার প্রেমিক সৈকত গোয়েন্দা কার্যালয়ে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পা হত্যাকাণ্ডে তার সাবেক প্রেমিক সৈকতে হেফাজতে নিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। শনিবার আনুমানিক রাত পৌনে ৯টায় তাকে গোয়েন্দা পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি দক্ষিণ বিভাগ) উপ-কমিশনার (ডিসি) রাজিব আল মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তাকে আটক করা হয়নি। রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার মৃত্যুর ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে।

রুম্পার সহপাঠী ও স্বজনরা জানিয়েছেন, রুম্পার বয়ফ্রেন্ড সৈকতের কথা। হত্যাকাণ্ডে সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকার বিষয়ে অনেকে সৈকতের দিকে আঙুল তুলছেন। স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রুম্পাকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে গতকাল শুক্রবার ক্যাম্পাস উত্তাল হয়ে ওঠে।

শুক্রবার বন্ধের দিনেও হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে ক্যাম্পাসে জড়ো হন সহপাঠীরা। মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন সহপাঠীসহ সব বিভাগের শিক্ষার্থীরা। যোগ দেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

রুম্পার বাবা ইন্সপেক্টর রোকনউদ্দিন বলেন, আমি অনেক কষ্ট করে রুম্পাকে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করেছিলাম। কিন্তু এভাবে তার মৃত্যু হবে আমি ভাবতে পারিনি। নুসরাত হত্যার মামলার মতো দ্রুত বিচার দাবি করেন তিনি।

রুম্পার চাচা নজরুল ইসলাম বলেন, রুম্পাকে হত্যা করা হয়েছে। রুম্পা পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করত। মা-ভাইয়ের সঙ্গে থাকতেন শান্তিবাগের একটি ফ্ল্যাটে। বাসা থেকে ৪-৫ মিনিট দূরত্বের একটি ফ্ল্যাটে চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াতেন। বুধবার বিকালে বাসা থেকে ওই শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াতে যান।

সন্ধ্যায় বাসার নিচে গিয়ে রুম্পা তার মাকে ফোনে বলেন, চাচাতো ভাইকে দিয়ে বাসার নিচে একজোড়া স্যান্ডেল পাঠাতে। ১০ বছরের চাচাতো ভাই একজোড়া স্যান্ডেল নিয়ে নিচে নামে। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, আংটি, কানের দুল, হাতঘড়ি, হিল জুতা ও টাকাসহ ব্যাগ চাচাতো ভাইয়ের কাছে দিয়ে বলেন, ‘আম্মুকে বলিস আপু একটু পরে বাসায় ফিরবে।’ রাতে আর বাসায় ফিরে আসেননি। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি। বৃহস্পতিবার খবর পেয়ে রুম্পার মা-সহ স্বজনরা রমনা থানায় গিয়ে লাশের ছবি দেখে রুম্পাকে শনাক্ত করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার রাত সোয়া ১০টার দিকে সিদ্ধেশ্বরীর সার্কুলার রোডের ৬৪/৪ নম্বর বাড়ির সামনের রাস্তা থেকে রুম্পার লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশ পড়ে ছিল দুটি ভবনের পেছনে এবং একটি ভবনের সামনের গলিতে। তিনটি ভবনের যে কোনো একটি থেকে তাকে ফেলে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ তাদের জানিয়েছে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ