মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৪ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কুমিল্লায় বৃত্তি প্রদান ও আল্লামা নুরুল হক (রহ.)-এর স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নবীগঞ্জে মাদানী পাঠাগারের উদ্যোগে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি আইএবি ঢাকা দক্ষিণের মহিলা ইউনিটের ২৩ সদস্যের কমিটি ঘোষণা জেদ্দা বিমানবন্দরের নর্থ টার্মিনালের ফ্লাইট স্থানান্তর, হজ-ওমরাহ যাত্রীদের জন্য নির্দেশনা সেবার আলো মাওলানা সাজ্জাদ নোমানির নেতৃত্বে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের নেতাদের বৈঠক দেশের ইসলামী স্কুলগুলো বড় আশীর্বাদ: মাসউদুল কাদির গণপিটুনি ও রাজনৈতিক সহিংসতায় মৃত্যু সরকারের ব্যর্থতার প্রমাণ: গাজী আতাউর রহমান রাষ্ট্রপতি ও এলজিআরডি মন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি খতমে নবুওয়ত মহাসচিবের বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকবে আল-হাইআতুল উলয়ার কার্যক্রম

অর্থ আত্মসাতের চেষ্টা: কুতুববাগ দরবারের পীরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: চেক জালিয়াতি করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগে দায়েরকৃত একটি মামলায় কুতুববাগ দরবারের পীর জাকির শাহের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

গত রোববার এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন নারায়ণগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (ক অঞ্চল) আদালত।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার বাদী শহরের ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ফজর আলী। বাদীর পক্ষে মামলাটিতে সাক্ষী হয়েছেন জাকির শাহের ভাই সবির আহমেদ জামান।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, পারস্পরিক সু-সম্পর্কের সুবাদে একসঙ্গে ব্যবসা করার লক্ষ্যে পীর জাকির শাহ ব্যবসায়ী ফজর আলীকে ৮ কোটি টাকা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। ২০১৩ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ব্যবসার উদ্দেশে সেই ৮ কোটি টাকা দেয়ার বিপরীতে ব্যবসায়ী ফজর আলীর কাছ থেকে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে একটি অঙ্গীকারনামা এবং ৬টি চেক গ্রহণ করেন।

অঙ্গীকারনামা ও চেকের বিপরীতে বিভিন্ন সময়ে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা প্রদান করেন পীর জাকির শাহ। পরবর্তীকালে আর টাকা দিতে পারবে না বলে জানালে ফজর আলী টাকা ফেরত দেয়।

ওই সময় স্ট্যাম্প ও ৩টি চেক ফেরত দিলেও বাকি ৩টি চেক খুঁজে পাচ্ছেন না বলে জানান পীর জাকির শাহ। ওই সময়ে স্ট্যাম্পের পেছনে চেক নম্বর উল্লেখ করে হারানো ৩টি চেক বাবদ কোনো দাবি-দাওয়া নেই মর্মে লিখিত অঙ্গীকার করেন এবং পরবর্তীকালে খুঁজে পেলে ফেরত দিবেন বলে অঙ্গীকার করেন তিনি।

কিন্তু কিছুদিন পর ব্যবসায়ী ফজর আলী জানতে পারেন ওই চেক হারানো যায়নি এবং এগুলো নিয়ে পীর জাকির শাহ টাকা দাবি করার ষড়যন্ত্র করছেন।

গত বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর নিজ বাড়িতে দাওয়াত দিয়ে পীর জাকির শাহ এবং সহযোগী ইসমাইল হোসেন বাবুকে খাওয়ানোর পর চেক ফেরতের বিষয়ে কথা বললে পীর জাকির শাহ ও সহযোগী বাবু ৫ কোটি টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে ক্ষতি হবে বলে হুমকি দেয়া হয়।

এ ঘটনায় চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি ব্যবসায়ী ফজর আলী বাদী হয়ে কুতুববাগ দরবারের পীর জাকির শাহ ও তার সহযোগী ইসমাইল হোসেন বাবুর বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (ক অঞ্চল) আদালতে প্রতারণার মামলা দায়ের করেন।

এ প্রসঙ্গে মামলার বাদী ফজর আলী জানান, একজন পীর হিসেবে আমি তাকে যথেষ্ট বিশ্বাস ও শ্রদ্ধা করতাম। সরল বিশ্বাসে আমি কোনো টাকা না পেয়েই ৮ কোটি টাকার স্ট্যাম্প ও চেক ওনাকে দিয়েছি। পরে উনি ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা দিয়ে আর দিতে পারবে না বলে জানায়। তখন এই টাকায় ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য সফল হবে না বলে টাকা ফেরত দেই। উনিও আমাকে স্ট্যাম্প ও ৩ কোটি টাকার ৩টি চেক ফেরত দিয়ে বাকি ৫ কোটি টাকার ৩টি চেক খুঁজে পাচ্ছেন না বলে জানায়।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ