মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

বড়দের সিয়াম সাধনা আমাদের আত্মার খোরাক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

এইচ এম আদনান মাকসুদ ।।

রমজান মাস হলো সিয়াম সাধনার মাস। এ মাসে মহান আল্লাহর প্রিয় বান্দারা রবের সান্নিধ্যে লাভের জন্যে আপ্রাণ চেষ্টা করে থাকে। রব তার বান্দাদের কে ভালোবেসে তার রহমতের দরজাসমূহ খোলে দেয়। যাতে করে বান্দা ইবাদত বন্দেগী করে সহজে জান্নাতে যেতে পারে। তাইতো মহা নবি সা. সাহাবাদেরকে শাবানের শুরু থেকে রমজানের প্রস্তুতি নিতে বলতেন।

সাহাবায়ে কেরাম তুমুল প্রচেষ্টায় রমজানের দিনগুলো ইবাদতে নিমগ্ন থাকতেন। তাদের ধারাবাহিকতায় তাবেয়ী, তাবে তাবেয়ী, আম্মায়ে মুজতাহিদীন,সলফে সালেহীনগণ ও রমজান মাস কে গনীমতের মাস মনে করে দিনে রোজা রেখে রাতে দীর্ঘক্ষণ তারাবি নামাজে কোরআন তেলাওয়াতে লিপ্ত থাকতেন।

আমাদের আকাবীরে রমজান ও সমসাময়িক উলামায়ে উম্মতের ক একজন প্রিয় মানুষের রমজানের সিয়াম সাধনার নজির লিপিবদ্ধ করছি আমাদের আত্মার খোরাকের জন্য।

১. হজরত মাওলানা মাহমুদুল হাসান শায়খুল হিন্দ রহ. সারাদিন রোজা রেখে কোরআন তিলাওয়াত করতেন। ইফতার করার পর কিছু সময় রেস্ট নিয়ে তারাবির জন্য প্রস্তুতি নিতেন।

তারাবির পর ফজর পর্যন্ত সারা রাত্রি নফল নামাজে লিপ্ত থাকতেন। এমনকি কয়েকজন হাফিজের সাথে পরস্পর কোরআন শুনাতেন।

২. আল্লামা খালীল আহমদ শাহরানপুরী রহ. এর রোজার সাহরি, ইফতার ও রমজান মাসের কারগুজারী।
মাওলানা জাকারিয়া রহমতের বলেন, আমি স্বয়ং আমার শায়েখকে দেখেছি, তিনি বার্ধক্যের কারনে অতি দুর্বল হওয়া সত্ত্বেও রমজান মাসে মাগরিবের পর নফল নামাজে সোয়া পারা পড়িতেন। তারপর আধা ঘণ্টা খানাপিনায় সময়, এশাও তারাবি নামাজে প্রায় আড়াই ঘণ্টা ও মদিনা যাবার পর প্রায় তিন ঘন্টা ব্যয় করিতেন।

তারপর কিছু সময় আরাম করে তাহাজ্জুদে দীর্ঘ সময় তেলাওয়াত করতেন। সুবহে সাদিকের আধা ঘণ্টা পূর্বে সাহরি খেয়ে ফজর পর্যন্ত তেলাওয়াতে লিপ্ত থাকতেন।

ফজর নামাজ পড়ে এশরাক পর্যন্ত মোরাকাবায় লিপ্ত থাকতেন। এশরাকের পর এক ঘন্টা আরাম করে বেলা বারোটা পর্যন্ত বিখ্যাত 'বজলুল মাজহুদ'গ্রন্থটি লিখতেন এবং চিঠি পত্রের উত্তর দান করিতেন। জোহরের পর থেকে আছর পর্যন্ত তেলাওয়াত এরপর মাগরিব পর্যন্ত তাছবীহ পাঠে লিপ্ত হতেন।নফল নামাজ সারা বছর আদায় করতেন তবে রমজানে লম্বা রাকাআতে আদায় করিতেন।

৩. শাহ আব্দুর রহিম রায়পুরী রহ. এর দরবারে রমজান মাসে শুধু কোরআন তেলাওয়াত হয়তো এমন কী চিঠি পত্রের আদান প্রদান ও সাক্ষাত্ একেবারে বন্ধ ছিল। দু একজন খাস খাদিমের জন্য তারাবিহ পর দুই এক পেয়ালা সাদা চা পান করিবার সময় সাক্ষাত্ করার অনুমতি ছিল।

৪. আল্লামা তোফাজ্জল হক হবিগঞ্জী রহ. রমজানের à§