শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ।। ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৪ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল মেক্সিকো, সুনামির সতর্কতা শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ খতিয়ে দেখা হচ্ছে: ভারত উত্তরাঞ্চলের ৫ জেলায় বন্যার শঙ্কা কুরআনের পথে চললেই বদলে যাবে দেশ: আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী মসজিদের ভেতরে বিএনপি, বারান্দায় জামায়াতের জুমা আদায়! মাদক প্রতিরোধে চাহিদা ও যোগান—উভয়ই নির্মূল করতে হবে: পীর সাহেব চরমোনাই অপরিকল্পিত নগরায়ণ থেকে নগরবাসীকে মুক্তি দিন: ইসলামী আন্দোলন কওমি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় নিরাপদ পথ নিশ্চিত করুন বিকেএমের স্থায়ী স্বেচ্ছাসেবকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ‘দুর্দিন এলে আবারও মুসলিম লীগের মাওলানা ফজলুর রহমানের সহযোগিতা লাগবে’

ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি: প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: করোনার কারণে স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রথম কয়েক মাস ভোগার পর বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। রপ্তানি, রেমিটেন্স ও কৃষি উৎপাদনে টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে ফিরছে অর্থনীতি।

শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ আয়োজিত আসেম অর্থমন্ত্রীদের ১৪তম আন্তর্জাতিক ভার্চুয়াল সভার উদ্বোধনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় দেশের অর্থনীতি এগিয়ে নিতে সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপ তুলে ধরেন তিনি।

বাংলাদেশ গত এক দশকে টেকসই উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আর্থ-সামাজিক কিছু সূচকেও দেশের অসাধারণ অগ্রগতি হয়েছে। এসডিজি অর্জনে আমরা ঠিক পথেই চলছি।

আগামী ২০৩১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উচ্চ-মধ্য-আয়ের দেশে পরিণত হবে দাবি করে তিনি বলেন, দেশকে ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত দেশে পরিণত করতে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই অগ্রগতির পথে করোনা মারাত্মক বাধার সৃষ্টি করেছে।

অর্থনৈতিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ‘বিরাট প্রণোদনা প্যাকেজ’ দেয়া হয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বিভিন্ন খাত ছাড়াও সমাজের বিভিন্ন স্তরে ১৪.১৪ বিলিয়ন ডলারের ২১টি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে সরকার।

করোনার কার্যকর ভ্যাকসিন শিগগিরই আসতে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশকে এই ভ্যাকসিন বিনামূল্যে দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। এ ক্ষেত্রে উন্নত বিশ্বসহ আইএফআইএসের উদার সহযোগিতায় এগিয়ে আসা উচিত।

উন্নয়নশীল দেশগুলোকে উন্নত অর্থনীতির দেশগুলো অবশ্যই প্রতিশ্রুতি দেয়া উচিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোটামুক্ত বাজার সুবিধা ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে হবে। যেকোনো সঙ্কট কাটিয়ে উঠতে বিচ্ছিন্নতা নয়, সহায়তা করতে পারে সহযোগিতা।

করোনায় প্রতিটি দেশের স্বাস্থ্য-ব্যবস্থা ও অর্থনীতিতে ভয়াবহ প্রভাব ফেলেছে স্মরণ করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, অধিকাংশ জনগণের আয় কমেছে, চাকরি হারানোর ঝুঁকি দেখা দিয়েছে, দারিদ্র্য পরিস্থিতি আরো খারাপ হচ্ছে, স্বাস্থ্য খাতও কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এ মহামারিতে স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মহামারির বৈশ্বিক সমাধানের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বহুমুখী বৈশ্বিক সমস্যা বৈশ্বিকভাবেই সমাধান করা প্রয়োজন। এ জন্য দরকার একটি সু-সমন্বিত রোডম্যাপ, গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে বৈশ্বিক বহুপক্ষকে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ