শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ।। ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৪ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ঢাকায় ‘ইমামুল হিন্দ শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী (রহ.) কনফারেন্স’ অনুষ্ঠিত দুই দশক পর কলকাতায় ফিরছেন তসলিমা, মাওলানা সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর কড়া প্রতিক্রিয়া জমিয়তের হাজারীবাগ থানা কাউন্সিল, ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি ইসলামী আন্দোলন নেতার ইন্তেকাল, পীর সাহেব চরমোনাইয়ের শোক বিশ্বে কওমি মাদরাসা শিক্ষার্থীর প্রায় ৬০ শতাংশই বাংলাদেশে! প্রথমবারের মতো তাফসির প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কুমিল্লার ‘পেরিয়া ইউনিয়ন ওলামা পরিষদে’র হাজার গাছ রোপণের উদ্যোগ ‘ঢাকা-চট্টগ্রামসহ গুরুত্বপূর্ণ রুটে চলবে চীনের বুলেট ট্রেন’ বায়ু ও শব্দদূষণ রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর চীনের সহায়তা পেলে দেশ এগিয়ে যাবে: মির্জা ফখরুল

আফগানিস্তানে গণহত্যার দায়ে চীনকে ক্ষমা চাইতে বলল অস্ট্রেলিয়া

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আফগানিস্তানে অস্ট্রেলিয়ার সেনা এক আফগান শিশুকে হত্যা করছে এমন একটি ছবি পোস্ট করা হয়েছে চীনের সরকারি টুইটার অ্যাকাউন্টে। ওই ছবিকে বিতর্কিত, ভুয়া আখ্যা দিয়ে বেইজিংকে ক্ষমা চাইতে বলেছে ক্যানবেরা। প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেন, ভুল ছবি শেয়ার করার জন্য বেইজিংয়ের লজ্জিত হওয়া উচিৎ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’দেশের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। ওই ছবির মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার কিছু সেনা যুদ্ধাপরাধে জড়িত বলে উল্লেখ করা হয়।

চলতি মাসের শুরুতে অকাট্য প্রমাণের ভিত্তিতে অস্ট্রেলিয়ার ২৫ সেনার বিরুদ্ধে ৩৯ আফগানকে হত্যার অভিযোগ তোলা হয়। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ওইসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনীর (এডিএফ) ওই তদন্ত প্রকাশের পরই বিশ্বব্যাপী নিন্দার ঝড় ওঠে। দেশটির পুলিশ এখন ওই ঘটনার তদন্ত করছে।

সোমবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিজিয়ান ঝাও একটি এডিট করা ছবি পোস্ট করেন। যেখানে অস্ট্রেলিয়ার সেনাকে রক্তাক্ত ছুরি হাতে এক শিশুর পাশে দেখা যায়। শিশুটির হাতে তখন একটি বাতি ছিল।

অস্ট্রেলিয়ার এলিট ফোর্সের সদস্যরা ১৪ বছর বয়সী আফগান শিশুকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে-পূর্বের এমন খবরই তুলে ধরা হয়েছে ছবিতে। অস্ট্রেলিয়ার গণমাধ্যম এবিসি নিউজ জানায়, এডিএফ’র তদন্তের এমন কোনো অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।

তবে এলিট ফোর্সের সদস্যদের দ্বারা অবৈধ হত্যাকাণ্ড এবং ভয়াবহ আচরণের অকাট্য প্রমাণ পাওয়া গেছে তদন্তে। বন্দিদের গুলির মাধ্যমে জুনিয়র সেনাদের প্রথম হত্যাকাণ্ডে উৎসাহী করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ