বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাসে ৭ মাসের ভর্তুকি একমাসে দিতে হয়েছে: গণপূর্তমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে ‎বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ‎ গওহরডাঙ্গা বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী ২০ সেপ্টেম্বর ৫ সেপ্টেম্বর জামিআ ইকরায় ‘খুতুরাতুত তাকফির’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ক্রস বর্ডার অ্যাডুকেশনে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী নাজমুল হুদা মজনুর একজোড়া কাব্য  জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও মূল্যস্ফীতি ইস্যুতে কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না: তারেক রহমানকে ট্রাম্প নিজের জীবনের পুরো সঞ্চয় দিয়ে মসজিদ নির্মাণ ৮৪ বছরের বৃদ্ধের

আফগানিস্তানে গণহত্যার দায়ে চীনকে ক্ষমা চাইতে বলল অস্ট্রেলিয়া

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আফগানিস্তানে অস্ট্রেলিয়ার সেনা এক আফগান শিশুকে হত্যা করছে এমন একটি ছবি পোস্ট করা হয়েছে চীনের সরকারি টুইটার অ্যাকাউন্টে। ওই ছবিকে বিতর্কিত, ভুয়া আখ্যা দিয়ে বেইজিংকে ক্ষমা চাইতে বলেছে ক্যানবেরা। প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেন, ভুল ছবি শেয়ার করার জন্য বেইজিংয়ের লজ্জিত হওয়া উচিৎ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’দেশের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। ওই ছবির মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার কিছু সেনা যুদ্ধাপরাধে জড়িত বলে উল্লেখ করা হয়।

চলতি মাসের শুরুতে অকাট্য প্রমাণের ভিত্তিতে অস্ট্রেলিয়ার ২৫ সেনার বিরুদ্ধে ৩৯ আফগানকে হত্যার অভিযোগ তোলা হয়। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ওইসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনীর (এডিএফ) ওই তদন্ত প্রকাশের পরই বিশ্বব্যাপী নিন্দার ঝড় ওঠে। দেশটির পুলিশ এখন ওই ঘটনার তদন্ত করছে।

সোমবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিজিয়ান ঝাও একটি এডিট করা ছবি পোস্ট করেন। যেখানে অস্ট্রেলিয়ার সেনাকে রক্তাক্ত ছুরি হাতে এক শিশুর পাশে দেখা যায়। শিশুটির হাতে তখন একটি বাতি ছিল।

অস্ট্রেলিয়ার এলিট ফোর্সের সদস্যরা ১৪ বছর বয়সী আফগান শিশুকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে-পূর্বের এমন খবরই তুলে ধরা হয়েছে ছবিতে। অস্ট্রেলিয়ার গণমাধ্যম এবিসি নিউজ জানায়, এডিএফ’র তদন্তের এমন কোনো অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।

তবে এলিট ফোর্সের সদস্যদের দ্বারা অবৈধ হত্যাকাণ্ড এবং ভয়াবহ আচরণের অকাট্য প্রমাণ পাওয়া গেছে তদন্তে। বন্দিদের গুলির মাধ্যমে জুনিয়র সেনাদের প্রথম হত্যাকাণ্ডে উৎসাহী করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ