আওয়ার ইসলাম: যুক্তরাজ্যে মার্কিন কোম্পানি ফাইজার এবং জার্মানির বায়োএনটেকের যৌথ প্রচেষ্টায় উদ্ভাবিত করোনার টিকাদান কার্যক্রম মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) থেকে শুরু হচ্ছে।
দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস) মঙ্গলবার থেকে সাধারণের মধ্যে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করবে। ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের মাধ্যমে এই টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে যুক্তরাজ্য।
এদিকে, করোনার টিকাদান কার্যক্রমকে যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পরিসরের টিকা কার্যক্রম হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুসারে, করোনা মোকাবিলার সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে স্বাস্থ্যকর্মীরা, ৮০ বছরের বেশি বয়স্ক লোকজন ও কেয়ারহোমের কর্মীরা সবার আগে করোনার টিকা পাবেন। এছাড়াও, যুক্তরাজ্যে টিকা দেয়ার স্থান হিসেবে প্রাথমিকভাবে ৫০টি হাসপাতাল নির্ধারণ করা হয়েছে।
পাশাপাশি স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও নর্দান আয়ারল্যান্ডেও মঙ্গলবার (৮ডিসেম্বর) থেকে টিকা দেয়ার কাজ শুরু হবে। ওই অঞ্চলগুলোতেও হাসপাতাল থেকে করোনা টিকা দেয়া হবে।
এ ব্যাপারে যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক বলেছেন, করোনা টিকাদানের কার্যক্রম শুরু করতে পারার মুহুর্তটি যুক্তরাজ্যের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হবে। টিকা দান কার্যক্রমের সময় সবাইকে স্থানীয় বিধিনিষেধ মেনে চলতে বলেছেন ম্যাট হ্যানকক।
অন্যদিকে, করোনা টিকাভর্তি বিশেষ কন্টেইনার বেলজিয়াম থেকে যুক্তরাজ্যে পৌঁছে গেছে। সেগুলোকে এখন তাপমাত্রা সুরক্ষিত অবস্থায় হাসপাতালগুলোতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
টিকাদান কার্যক্রমের ব্যাপারে এনএইচএসের পরিচালক অধ্যাপক স্টিফেন পাওস বলেছেন, অনেক জটিলতা সত্ত্বেও করোনার টিকার প্রথম ডোজ সোমবার হাসপাতালগুলোতে যাবে। মঙ্গলবার থেকে টিকা দেওয়া শুরু হবে।
এর আগে, ২ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্য ফাইজার-বায়োএনটেকের যৌথ উদ্যোগে উদ্ভাবিত করোনা ভাইরাসের টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দেয়। যুক্তরাজ্যই বিশ্বের প্রথম দেশ, যারা এই টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে।
-এএ