রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৪ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৯ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঢাকা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী আমানের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় সরকারের ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে থাকার কারণ জানাল প্রেস উইং মাওলানা জুবাইর আহমদ আশরাফের ইন্তেকালে বেফাকের শোক ও দোয়া কিশোরগঞ্জ-১ আসনে দেয়াল ঘড়ির প্রার্থীর গণসংযোগ অব্যাহত হাতপাখা না থাকা ৩২ আসনে যা করবে ইসলামী আন্দোলন পুলিশ কোনো রাজনৈতিক দলের রক্ষক নয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা হজযাত্রীদের টিকাদান কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ আজ সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করবে জামায়াতে ইসলামী বিশ্বসেরা কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের তালিকায় তারেক রহমান, ছাড়িয়ে গেলেন ট্রাম্পকেও বিএনপি জোটে যাচ্ছে ইসলামী আন্দোলন! যা বললেন জাহেদ-উর রহমান

রোহিঙ্গাদের নিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আনন্দবাজারের মিথ্যাচার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সম্প্রতি দ্বিতীয় দফায় ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের নতুন দল পাঠানোর পর তা নিয়ে নিয়ে ভিত্তিহীন ও বানোয়াট তথ্য প্রকাশ করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম 'আনন্দবাজার পত্রিকা'।

মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) দেশটির জাতীয় দৈনিক আনন্দবাজারে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার আপত্তি সত্ত্বেও ভাসানচরে পাঠানো হয়েছে রোহিঙ্গাদের।

ভাসানচরকে ‘বিচ্ছিন্ন দ্বীপ’ আখ্যা দিয়ে টানা হয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং জাতিসংঘের বাংলাদেশ সরকারের কাছে সিদ্ধান্ত বাতিলের আবেদনের কথাও।

আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনের এক জায়গায় লেখা হয়েছে-
'এই দ্বীপটির নাম ‘ভাসান চর’। বছর ২০ আগেও এর কোনও অস্তিত্ব ছিল না। তার পর আস্তে আস্তে পলি জমে এই দ্বীপটি তৈরি হয়েছে। বর্ষার সময় নাকি এখনও ডুবে যায় এই দ্বীপটি। তবে সরকারের তরফে বন্যা আটকানোর জন্য বাঁধ দেওয়া হয়েছে। ভাসান চরে ভারতীয় মু্দ্রায় প্রায় ৮২১ কোটি ৮২ লাখ ৮০ হাজার টাকা খরচ করে ঘর বাড়ি হাসপাতাল মসজিদ তৈরি করে দিয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। ৪ ডিসেম্বর প্রথম দফায় ১ হাজার ৬৪২ জন রোহিঙ্গাকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। সে বারও মানবাধিকার সংগঠনগুলি আপত্তি তুলেছিল। তাদের দাবি, অনেক রোহিঙ্গাই সেখানে যেতে রাজি নন। তাদের জোর করে সেখানে পাঠানো হচ্ছে।'

ভারত মিথ্যাচার করলেও বাংলাদেশের দক্ষিণ বঙ্গোসাগরের কোল ঘেঁসে ভাসানচরের মতই বহু দ্বীপ রয়েছে যেগুলোতে লাখ লাখ বাংলাদেশি জন্মসূত্রে বসবাস করে। এছাড়া অন্যান্য সমুদ্রতীরবর্তী জেলার মত ভাসানচরেও রয়েছে পর্যাপ্ত সাইক্লোন সেন্টার যা দুর্যোগ মোকাবিলায় সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। অন্তত ১৭০ বছরের ঘূর্ণিঝড়ের ইতিহাস পর্যালোচনা করেই বাংলাদেশ নৌ বাহিনী ভাসান চরের রোহিঙ্গাদের জন্য স্থাপনা তৈরি করেছে।

ভাসানচরের সাইক্লোন সেন্টারগুলো সম্পর্কে আরেকটি তথ্য হলো এখানকার সাইক্লোন সেন্টারগুলো আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উত্তীর্ণ। ঘণ্টায় ২৯৫ কিলোমিটার গতির চেয়েও বেশি গতিসম্পন্ন ঝড়ও এই শক্তিশালী সাইক্লোন সেন্টার অনায়াসে মোকাবেলা করতে পারবে। এছাড়াও ভাসানচরের দক্ষিণে ১৯ ফুট উঁচু বাঁধ রয়েছে যা বড় জলোচ্ছ্বাসের ধাক্কা সামাল দিতে পারবে।

রোহিঙ্গা বিষয়ক গবেষক প্রফেসর ড. জাকির হোসেন চৌধুরী বলেন, আমি মনে করি, রোহিঙ্গাদের জন্য ভাসানচর পুরোপুরি বসবাসযোগ্য হয়েছে। সেখানে বাড়ি আছে, সেখানে স্কুল আছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও সেখানে হাসপাতাল আছে। যদি কোনো কারণে ঝড় হয় সেটার জন্য শেল্টার হোম আছে। সবই আছে সেখানে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ