মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ওমরাহ যাত্রীদের ওপর হামলা গুরুতর অপরাধ: সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটির চাঁদপুর জেলা কমিটি গঠন তুরস্কের ইবন হালদুন বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে আজহারী কঠোর পর্দা মেনেও সেরা বিজ্ঞানীর তালিকায় সৌদি অধ্যাপক নাজলা রাদ্দাদি আল-হাইআতুল উলয়ায় চাকরি, আবেদন ২০ অক্টোবর পর্যন্ত ৯৫ শতাংশ মুসলিমের দেশ আজারবাইজানে হিজাব নিষিদ্ধের পাঁয়তারা! ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার মাওলানা নাসরুল্লাহ বদরের লাশ দ্রুত দেশে আনার দাবি জমিয়তের সাইবার আইনে সাংবাদিকদের ভয়ের কোনো কারণ নেই: আইনমন্ত্রী

বর্তমান সময়ে যবানের হেফাজত সবচেয়ে ফজিলতের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

উসমান বিন আ.আলিম

মহান আল্লাহ তায়ালা মানবজাতিকে অসংখ্য নেয়ামতরাজি দ্বারা সৃষ্টি করেছেন।প্রতিটি মানুষের শরীর আল্লাহর দেওয়া অগণিত নিয়ামতে ভরপুর।যেমন;চোখ,নাক,জিহ্বা, হাত,পা,মাথা,ব্রেন,কান ইত্যাদি। কুরআন কারীমে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন 'তোমরা আল্লাহর নিআমত গণনা করে তার সংখ্যা নির্ণয় করতে পারবেনা'।(সূরা ইবরাহীম :৩৪)

এই অসংখ্য নেয়ামতের মধ্যে জিহ্বা হচ্ছে আল্লাহর দেওয়া উল্লেখযোগ্য এবং একটি শ্রেষ্ঠ নেয়ামত।কেননা, জিহ্বা বা বাকশক্তি আল্লাহ তাআলার বড় নিআমত ও মহা-দান। বান্দার বহুবিধ কল্যাণ এতে নিহিত। বহুমুখী প্রয়োজন পূরণের লক্ষ্যে তিনি এ নিআমত বান্দাকে দান করেছেন।অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দিয়ে এসব প্রয়োজন পূরণ করা সম্ভব নয়।

যবানের নিআমত থেকে বঞ্চিত হলে অন্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এর প্রতিনিধিত্ব করতে পারে না। কোনো কিছুই যবানের বিকল্প হতে পারে না।মানুষ এই জিহ্বা দ্বারা মনের ভাব, দুঃখ-কষ্ট, ব্যথা-বেদনা, আনন্দ-উল্লাস প্রকাশে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। বলতে গেলে যবান সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মুখপাত্র। বোবার মনের কত দুঃখ-কষ্ট, কত আনন্দ-বেদনা, কিন্তু কাউকে জানাতে পারে না, জীবনের প্রতিটি ধাপে যার বিরূপ প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। যে বাকশক্তি হারিয়েছে সে-ই উপলদ্ধি করতে পারে- যবান কত বড় নিআমত! বর্তমান সময়ে যবানের হেফাজত করা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বের ও ফজিলতের।

আবার এই যবান মানুষের জন্য জান্নাত বা জাহান্নাম। অর্থাৎ এই যবানের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষ জান্নাতে যাওয়ার উপযুক্ত হয়,আবার এর অপব্যবহার করার কারণে মানুষ জাহান্নামের উপযোগী হয়ে যায়।এরকমই যবান মানুষকে কখনো সম্মানের পাত্র বানায়, আবার কখনো লাঞ্ছনার শিকার হওয়ায়।

অপরপক্ষকে মিথ্যা, গীবত, অপবাদ, গালি-গালাজ, কর্কশ ভাষা; মানুষকে আল্লাহর অসন্তোষ, ক্রোধ ও জাহান্নামের দিকে পরিচালিত করে। এজন্য শরীয়তে যবানের হেফাজত করাকে খুবই গুরুত্ব সহকারে বর্ণনা করেছেন। এ প্রসঙ্গে কোরআান এবং হাদীস গন্থসমূহে বর্ণিত হয়েছে।অর্থাৎ যবান হেফাজতের গুরুত্ব, সঠিক ব্যবহার, অপব্যবহার, ফজিলত ইত্যাদি সম্পর্কে।আমি সেখান থেকে কয়েকটি বাছাইকৃত বিষয়কে কিঞ্চিৎ আলোকপাত করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।

যবান হেফাজতের গুরুত্ব
যবান হেফাজতের মাধ্যমে মানুষ অনেক ধরনের গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে পারে।এ ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনেক গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন- যে, আল্লাহ ও শেষ দিবসে বিশ্বাস রাখে সে যেন ভালো কথা বলে অথবা চুপ থাকে'à¥