মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৯৫ শতাংশ মুসলিমের দেশ আজারবাইজানে হিজাব নিষিদ্ধের পাঁয়তারা! ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার মাওলানা নাসরুল্লাহ বদরের লাশ দ্রুত দেশে আনার দাবি জমিয়তের সাইবার আইনে সাংবাদিকদের ভয়ের কোনো কারণ নেই: আইনমন্ত্রী ‘অর্থনৈতিক সংস্কার ও সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকছে আইএমএফ’  নামাজে রাকাতসংখ্যা ভুলে গেলে করণীয় ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হতে হবে বিজ্ঞানভিত্তিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক’ ‘সৌ‌দির পরিস্থিতি ঠিক হলে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া‌ প্রবাসীদের নিয়ে আলোচনা’ পাকিস্তানে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৬

শবে বরাতে আমাদের করণীয়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাওলানা মোঃ আব্দুল মান্নান।।

অফুরন্ত রহমত বরকত ফজিলত ঘরে তুলতে ও সীমাহীন নিয়ামত হাসিল করতে বিশ্ব মুসলিমের জন্য শবে বরাত একটি যথাপোযুক্ত রাত। এ রাতকে অবহেলা করা উচিৎ নয়। ১৪ শাবান দিবাগত রাতকেই শবে বরাত বলা হয়। ফার্সি শব্দ ‘শব’ অর্থ রাত আর ‘বরাত’ অর্থ ভাগ্য বা মুক্তি।

‘শবে বরাত’ অর্থ ভাগ্য রজনী বা মুক্তির রাত। আরবীতে ইহাকে লাইলাতুল বারাআতও বলা হয়। যেহেতু এই রাতে আল্লাহ্ সুবহানাহু তা’য়ালা অসংখ্য পাপীকে ক্ষমা করে, রোগীকে রোগ মুক্ত করে, ঋণীকে ঋণ মুক্ত করে, বিশেষ আবেদনকারীর আবেদন পূরণ করে দেন; শুধু তাই নয়, অভাবীদের অভাব পূরণের জন্য তিনি লোকদেরকে আরও কাছে ডেকে আনেন। যেন মায়া মমতা মাখানো কণ্ঠে বলেন, তোমাদের কার কি অভাব বা অসুবিধা রয়েছে? তোমরা আস। এসে আমাকে জানাও। আমি তোমাদের অভাব পূরণ করে দেব। অসুবিধা দুর করে দেব। মহান আল্লাহ্র পক্ষ থেকে অসহায় বান্দার প্রতি সহমর্মী হয়ে মমতাবোধ নিয়ে এমনভাবে ডাকা বান্দার জন্য কি ভাগ্যের ব্যাপার নয়? অভাব ও আশা প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে রাজা নিজেই যদি প্রজাকে ডাকেন বা স্মরণ করেন তবে নিশ্চয়ই তা ভাগ্যের ব্যাপার। তখন আমরা এমন রাতকে কি বলব? নিশ্চয় ভাগ্য রজনী বলতে পারি।

এ রাতে আগামী বছরে কে জন্ম নিবে, কে মৃত্যুবরণ করবে, কার রিযিক কোথায় কি পরিমাণ থাকবে ইত্যাদি লিপিবদ্ধ করা হয়। তাই এ রাতে বেশি করে ইবাদাত করে মাওলাকে খুশি করা উচিত। ইবাদাতে মাশগুল হওয়া উচিত। যাতে তিনি আমার পক্ষে লিখেন। আমার ভাগ্যকে সুপসন্ন করে দেন। ইবাদাতে মাশগুল না হয়ে বা আল্লাহ্র সিদ্ধান্তের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ না করে বরং এক শ্রেণীয় লোকেরা ঠাট্টা বিদ্রুপ করে বলে ফেলেন, সারা রাত আল্লাহ্ ধনীদের দিয়ে শেষ করেন।

সকাল বেলায় আমরা গরীবদের ভাগ্য ডট ডট (’’) দিয়ে রাখছেন অর্থাৎ তরাড্ডি আগের মতই। যারা রিক্সা চালায় তারা রিক্সাই চালাবে, যারা কুলিগিরি করত তারা কুলিগিরিই করবে। গরীবের ভাগ্যের পরিবর্তন নেই। কিন্তু মূলত বিষয়টি এমন নয়। আল্লাহ্ কখনও পক্ষ পাতিত্ব করেন না। বরং যে একেবারে ইবাদাত করে না তাকেও তিনি বি ত করেন না সুযোগ দেন।

এ রাত সম্পর্কে হযরত নাবী কারিম (সঃ) ফরমায়েছেন, যখন শাবান মাসের ১৫ তারিখ উপস্থিত হয় তখন তোমরা ঐ রাতে নামায পড় এবং ঐ দিনই রোজা রাখ। কেননা আল্লাহ্ তায়ালা ঐ সূর্যাস্তের সময় প্রথম আসমানে অবতরণ করে বলতে থাকেন, তোমাদের মধ্যে কে আছ ক্ষমা প্রার্থী? আমি তাকে ক্ষমা করে দেব।

কে আছ রিযিক প্রার্থী? আমি তাকে রিযিক দান করব। কে আছ বিপদগ্রস্থ? আমি তার বিপদ দূর করব কিন্তু আমরা কি এখলাসের সাথে যথাযথভাবে তা পালন করি? ইবনে মাজাহ শরীফে আছে এভাবে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা বান্দাকে ফজর পর্যন্ত আদরের সাথে ডাকতে থাকেন। আমাদের মাওলা কতà¦