মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘অর্থনৈতিক সংস্কার ও সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকছে আইএমএফ’  নামাজে রাকাতসংখ্যা ভুলে গেলে করণীয় ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হতে হবে বিজ্ঞানভিত্তিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক’ ‘সৌ‌দির পরিস্থিতি ঠিক হলে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া‌ প্রবাসীদের নিয়ে আলোচনা’ পাকিস্তানে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৬ প্রবাসীদের জন্য বিশেষ আদালত গঠনের পরিকল্পনা সরকারের: আইনমন্ত্রী শায়খ আব্দুস সাত্তার: বীর মুজাহিদিনের প্রতিচ্ছবি সৌদিগামী আটকে পড়া যাত্রীদের ক্ষতিপূরণ ও থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থার দাবি ‘ড. সাঈদুর রহমান আজমি নদভির মৃত্যুতে একটি যুগের অবসান’ আরও ৩০৫ নেগরান-মুমতাহিন নিয়োগ দেবে আল-হাইআতুল উলয়া

ই'তেকাফ: তাৎপর্য, ফজিলত ও বিধিবিধান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

।।উসমান বিন আ.আলিম।।

ইবাদতের মাস রমাযান মাস। আল্লাহর রহমত,মাগফেরাত,নাজাতবেষ্টিত এই মাস। বেশি বেশি আমল করে নিজের নেকির ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার মাস। এই মাসের প্রধান আমল হচ্ছে রোযা আদায় করা। এর পাশাপাশি আরো কিছু আমল রয়েছে। তন্মধ্যে ইতেকাফের ফজিলত অন্যতম। যার ফজিলত অনেক। তাই নিচে ইতেকাফের ফজিলত ও বিধিবিধান সম্পর্কে আলোচনা করার প্রয়াস পাচ্ছি।আশাকরি সকলের জন্য উপকৃত হবে।

ই'তেকাফের সংজ্ঞা-
ই'তেকাফ এটি আরবী ‘আকফ’ ধাতু থেকে উদ্গত। আকফ শব্দের অর্থ হচ্ছে অবস্থান করা,স্থির হওয়া।ইতেকাফের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে কোনো স্থানে আটকে যাওয়া বা থেমে যাওয়া,অবস্থান করা বা আবদ্ধ হয়ে থাকা। ইসলামী শরীয়ত মতে ইতেকাফ হলো, নির্ধারিত সময়ে জাগতিক কাজ কর্ম ও পরিবার পরিজন থেকে অনেকটা বিছিন্ন হয়ে শুধু আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তায়ালাকে রাজি-খুশি করার নিয়তে পুরুষের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সাথে আদায় করা হয় এমন মসজিদে এবং মহিলার জন্য ঘরের এক কোণের নির্দিষ্ট স্থানে ইবাদাত করার উদ্দেশ্যে অবস্থান করা বা আবদ্ধ হয়ে থাকা। যিনি ইতেকাফ করেন আরবীতে তাকে মুতাকিফ বলে।

ই'তেকাফের উদ্দেশ্য কী-
ইতেকাফের উদ্দেশ্য হচ্ছে, আল্লাহ রব্বুল আলামিনের একান্ত সান্নিধ্য অর্জন করা,নিজেকে গুনাহমুক্তির জন্য চেষ্টা করা, সর্বোপরি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ঠিকমতো জামাতের সঙ্গে সহজে আদায় করা। আর রমজান মাসে ই’তেকাফের বিশেষ উদ্দেশ্য হলো, শবে কদরের মহান রাত্রির ফযীলাত পরিপূর্ণভাবে পেয়ে যাওয়া; কেননা শবে কদরের রাত সুনির্ধারিত নয়। বরং হাদীসের নির্দেশনা অনুযায়ী রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোর কোনো একটিতে শবে কদর হয়ে থাকে। তাই শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে শবে কদর খোঁজার জন্য উত্তম একটি ব্যবস্থা হলো ই’’তেকাফ।

রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে কদরের রাত তালাশ কর।’ (সহীহুল বুখারি, হাদীস নং: 2017) সুতরাং পরিপূর্ণভাবে কদরের রাতের সৌভাগ্য অর্জন করতে হলে রমজানের শেষ দশকে আমাকে আপনাকে রাত জাগরণ করতে হবে; যা ইতিকাফের মাধ্যমে করা অত্যন্ত সহজ ও বুদ্ধিমানের কাজ। আল্লামা হাফিজ ইবনে রজব (র.) বলেছেন, ইতিকাফের আসল উদ্দেশ্য সৃষ্টির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে স্রষ্টার সঙ্গে সম্পর্ক কায়েম করা।

ই'তেকাফ কোথায় করবেন-
ইতেকাফ করার সর্বোত্তম জায়গা হলো মসজিদুল হারাম। এরপর মসজিদে নববী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। এরপর হচ্ছে মসজিদুল আকসা। এরপর জামে মসজিদ। তারপর ঐসকল মসজিদ যেখানে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সাথে আদায় করা হয়।

ই'তেকাফের শর্তাবলী-
নিম্নোক্ত শর্তা