মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সাইবার আইনে সাংবাদিকদের ভয়ের কোনো কারণ নেই: আইনমন্ত্রী ‘অর্থনৈতিক সংস্কার ও সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকছে আইএমএফ’  নামাজে রাকাতসংখ্যা ভুলে গেলে করণীয় ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হতে হবে বিজ্ঞানভিত্তিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক’ ‘সৌ‌দির পরিস্থিতি ঠিক হলে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া‌ প্রবাসীদের নিয়ে আলোচনা’ পাকিস্তানে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৬ প্রবাসীদের জন্য বিশেষ আদালত গঠনের পরিকল্পনা সরকারের: আইনমন্ত্রী শায়খ আব্দুস সাত্তার: বীর মুজাহিদিনের প্রতিচ্ছবি সৌদিগামী আটকে পড়া যাত্রীদের ক্ষতিপূরণ ও থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থার দাবি ‘ড. সাঈদুর রহমান আজমি নদভির মৃত্যুতে একটি যুগের অবসান’

পরিবেশ সংরক্ষনে ইসলামে বৃক্ষরোপণ ও বনায়নের গুরুত্ব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাওলানা মুহাম্মদ আবু সালেহ।।

সুন্দর নয়নাভিরাম এই বসুন্ধরা। নদী-নালা, পাহাড়, ঝর্ণা, সমুদ্র, গাছ-পালা, তরু-লতার সমন্বয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশ। প্রাকৃতিক পরিবেশ সুরক্ষা আমাদের দায়িত্ব। প্রকৃতি, পরিবেশ ও প্রতিবেশের অন্যতম নিয়ামক উদ্ভিদ ও গাছপালা। গাছগাছালি, বৃক্ষতরু ও লতাগুল্ম থেকেই আসে আমাদের জীবনধারণ ও জীবন রক্ষার সব উপকরণ। নবীজি সা. নিজ হাতে গাছ লাগিয়েছেন, সাহাবায়ে কেরামকে গাছ লাগাতে ও বাগান করতে উদ্বুদ্ধ করেছেন।

বৃক্ষরোপণকে তিনি সদকায়ে জারিয়ার উৎস এবং উপকরণের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘মানুষ, পাখি বা পশু যখন তাদের আহার্য গ্রহণ করে, তখন তা তার রোপণকারীর পক্ষে একটি সদকা বা দান হিসেবে পরিগণিত হয়।’ -বুখারি ও মুসলিম

বন ও বন্য পশুপাখি আল্লাহ পাকের দান ও প্রাকৃতিক নেয়ামত। নবী কারিম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এগুলোর সংরক্ষণের ওপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মক্কা ও মদিনার বিশেষ এলাকাকে 'হারাম' অর্থাৎ, সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করেন। এ এলাকায় গাছপালা কাটা কিংবা সেসব স্থানে পশুপাখি শিকার করা নিষিদ্ধ।

গাছপালা না থাকলে এ জগতে মানুষের বসবাস অসম্ভব হয়ে পড়তো

উদ্ভিদ জগতের প্রয়োজনীয়তা আজকের আধুনিক বিজ্ঞানের গবেষনায় বিভিন্নভাবে প্রমানিত হয়েছে। গাছপালা না থাকলে পৃথিবী মানুষের বাস যোগ্য হতো না। পৃথিবী এবং পৃথিবীতে বসবাসকারী প্রাণীদের টিকে থাকার জন্য বৃক্ষরাজী, তরুলতা কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা কুরআনে বার বার এই বিষয়ক আলোচনা থেকে কিছুটা হলেও উপলব্ধি করা সম্ভব। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ইরশাদ করেন,

وَهُوَ الَّذِي أَنزَلَ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَأَخْرَجْنَا بِهِ نَبَاتَ كُلِّ شَيْءٍ فَأَخْرَجْنَا مِنْهُ خَضِرًا نُّخْرِجُ مِنْهُ حَبًّا مُّتَرَاكِبًا وَمِنَ النَّخْلِ مِن طَلْعِهَا قِنْوَانٌ دَانِيَةٌ وَجَنَّاتٍ مِّنْ أَعْنَابٍ وَالزَّيْتُونَ وَالرُّمَّانَ مُشْتَبِهًا وَغَيْرَ مُتَشَابِهٍ ۗ انظُرُوا إِلَىٰ ثَمَرِهِ إِذَا أَثْمَرَ وَيَنْعِهِ ۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكُمْ لَآيَاتٍ لِّقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ

‘তিনি আসমান থেকে বারি বর্ষণ করেন, অতঃপর আমি তদ্দ্বারা সর্বপ্রকার উদ্ভিদের অঙ্কুর উদ্‌গম করি, অনন্তর তা থেকে সবুজ পত্র উদ্‌গত করি, তারপর তা থেকে ঘন সন্নিবিষ্ট শস্যদানা উৎপাদন করি এবং খর্জূরবৃক্ষে মাথি থেকে ঝুলন্ত কাঁদি বের করি আর আঙুর, জলপাই-জইতুন ও ডালিমের বাগান সৃষ্টি করি। এগুলো একটি অন্যটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ ও বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। লক্ষ করো এর ফলের প্রতি, যখন তা ফলবান হয় এবং এর পরিপক্বতাপ্রাপ্তির প্রতিও লক্ষ করো। অবশ্যই বিশ্বাসী সম্প্রদায়ের জন্য এতে নিà