মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


ঈদের নামাজ সংক্রান্ত জরুরি মাসাইল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি সৈয়দ নাছির উদ্দিন আহমদ।। প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্য কোনো না কোনো দিন অবশ্যই এমন আছে, যার মধ্যে তারা স্বাভাবিক ভাবে আনন্দ খুশি করে থাকে।উত্তম পোশাক পরিধান করে,ভালো উন্নত মানের খাবার রান্না করে খায়। তাই হাদিসের মধ্যে বর্ণিত আছে,لكل قوم عيد وهذا عيدنا প্রত্যেক জাতির জন্য ঈদ রয়েছে, এটা হলো আমাদের ঈদ।

ইসলাম ধর্ম উৎসবের দু’টি দিন নির্ধারিত করেছে।ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা । এ দু’টি ঈদ মূলত মুসলিম জাতীর ধর্মীয় এবং জাতীয় উৎসবের দিন। এ দুই দিন ছাড়া মুসলমানদের কেউ কেউ আরো যে উৎসব পালন করে থাকেন,তার কোন ধর্মীয় ভিত্তি নেই বরং ইসলামের দৃষ্টিতে সেগুলোর অধিকাংশ কুসংস্কার।

ঈদের রাতের ফজলিত :

হযরত আবূ উমামা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি সওয়াবের আশায় দুই ঈদের রাতে ইবাদত করবে, তার দিল ( কেয়ামতের কঠিন ) দিনেও মরবে না, যে দিন ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির কারণে সব দিল মৃত্যুবরণ করবে ।অর্থাৎ যে ব্যক্তি দুই ঈদের দিন নিজ প্রতিপালকের সাথে মিলিয়ে রাখবে, কেয়ামতের দিন সে নিরাপদ ও শান্তিতে থাকবে।

কেউ কেউ হাদিসের ব্যাখ্যায় বলেন, যে ব্যক্তি দুই ঈদের রাতে ইবাদত করবে তার দিল দুনিয়ার মোহে অন্ধ হবে না । এবং সে অপমৃত্যু থেকে নিরাপদ থাকবে । তাই দুই ঈদের রাতে সারারাত এবাদত করা, নফল নামাজ পড়া মুস্তাহাব । ( তারগীব ও তারহীব ২/৩৮৪, ফাতাওয়া মাহমুদিয়া ২/৩৩৫)

ঈদের সংজ্ঞা

ঈদের শাব্দিক অর্থ প্রত্যাবর্তন করা। আনন্দ উৎসবের দিনকে ঈদ বলা হয় । কিন্তু শরীয়তের পরিভাষায় মুসলমানগণ বছরে যে দু’টি দিবসকে আনন্দ উৎসবের দিন হিশেবে পালন করে থাকে তাকে ঈদ বলা হয়।

ঈদের নামাযের হুকুম

ঈদের নামায পড়া ওয়াজিব। তাই যথাসম্ভব চেষ্টা করতে হবে যেন ঈদের নামায পড়া যায়।( বাদায়েউস সানায়ে ২/২৩৬)

ঈদের নামাযের শর্ত

ঈদের নামাযের জন্য শর্ত তা’ই, যা জুমআর নামাযের জন্য শর্ত। পার্থক্য শুধু জুমআর নামাযের আগে খুতবা পড়া জরুরি,আর ঈদের নামাযের পর খুতবা পড়া সুন্নত। (বাদায়েউস সানায়ে২/২৩৭)

যাদের উপর ঈদের নামায ওয়াজিব 

যে ব্যক্তির উপর জুমআর নামায ওয়াজিব তার উপর ঈদের নামাজও ওয়াজিব। ঈদের নামাযের পর খুতবা দেয়া সুন্নত। ঈদের নামাযের পূর্বে খুতবা পড়ে নিলে মাকরূহের সাথে নামায আদায় হবে।(বাবাদায়েউস সানায়ে২/২৩৭,২৪০,২৪১
আলমগীরী ৩/৬৩,কিতাবুল ফিকহ ১/৫৪৮)

ঈদের সূচনা কাল

রাসূলুল্লাহ সা. যখন হিজরত করে মদিনায় তাশরীফ নিলেন,তখন থেকে মুসলিম জাতীর সামাজিক জীবন শুরু হয়। ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আজহা এ দুই ঈদ হিজরতের পর থেকে উদযাপন শুরু হয়।

এব্যাপারে দু’টি অভিমত পাওয়া যায়। কেউ কেউ বলেন, প্রথম হিজরী সনে ঈদের নামাজের বà¦