বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ ।। ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিকেএম পল্টন থানা শাখার সভাপতি বদর ও সম্পাদক মনির ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরামর্শ ও হাসপাতালগুলোকে জরুরি নির্দেশ ৭ দলের সঙ্গে বসছে হেফাজত, আজ চোখ থাকবে বাবুনগরে শাপলা হত্যাকাণ্ড: হাসিনাসহ ৪২ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা সাবেক আমির হাসপাতালে, দেখতে গেলেন বিকেএম মহাসচিব সরকারের শিক্ষার্থীবান্ধব উদ্যোগকে স্বাগত জানাল ইসলামী ছাত্র আন্দোলন ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে মুফতি তাকি উসমানীর ফতোয়া, ব্যাখ্যা চাইল পাকিস্তান সরকার অনলাইনের দীনদার, পরিচয় নাকি মুখোশ? দেশের আকাশে দেখা গেছে পবিত্র সফর মাসের চাঁদ কলার বহুমুখী ব্যবহার বাড়ছে অর্থনৈতিক সম্ভাবনা

সিরিয়ায় ৬৪ নারী-শিশু হত্যার তথ্য ফাঁস, যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: মার্কিন সামরিক বাহিনী ২০১৯ সালে সিরিয়ায় বিমান হামলা চালিয়ে ৬৪ নারী-শিশুকে হত্যা করেছিল। আইএসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নামে এই হামলা চালিয়েছিল তারা। নিউইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে ওই নারকীয় হামলাকে সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেছে। মার্কিন পত্রিকাটি বলছে, প্রতিবেদনটি গোপন নথি এবং শ্রেণীবদ্ধ প্রতিবেদনের বর্ণনার পাশাপাশি সরাসরি জড়িত কর্মীদের সাক্ষাৎকারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। ইরানিয়ান লেবার নিউজ এজেন্সি এ খবর দিয়েছে।

হামলার সময় উপস্থিত একজন এয়ার ফোর্সের আইনজীবী জানিয়েছেন, হামলাটি যুদ্ধাপরাধ ছিল এবং পরবর্তীতে প্রতিরক্ষা বিভাগের মহাপরিদর্শক এবং সিনেট আর্মড সার্ভিসেস কমিটিকে তিনি সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিরিয়ায় স্থল অভিযানের দয়িত্বপ্রাপ্ত একটি আমেরিকান স্পেশাল অপারেশন ইউনিট ওই হামলা চালিয়েছিল বাঘুজ শহরের কাছে। পাল্টা হামলার নির্দেশনা পাওয়ার পর ওই হামলা চালানো হয়। সংবাদপত্রটি বলছে, ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড, যারা সিরিয়ায় মার্কিন বিমান অভিযানের তত্ত্বাবধান করেছিল, এই সপ্তাহে প্রথমবারের মতো তারা হামলার কথা স্বীকার করেছে এবং তাদের দাবি তারা অন্যায় কিছু করেনি।

শনিবার একটি বিবৃতিতে সেন্ট্রাল কমান্ড পত্রিকাটিতে ওই হামলায় নিহতদের হিসাব পুনরায় জানিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে ছিল ১৬ আইএস যোদ্ধা এবং চারজন বেসামরিক নাগরিকসহ ৮০ জন। নিহত অন্য ৬০ জন বেসামরিক লোক কিনা তা স্পষ্ট নয়। তবে তাতে নারী-শিশু থাকতে পারে।

শনিবারের বিবৃতিতে সামরিক বাহিনী বলছে, হামলাগুলো ছিল বৈধ ও আত্মরক্ষার্থে। নিহতদের মধ্যে বেসামরিক মানুষের উপস্থিতির বিষয়টি গোপন করা হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্ত্রীয় কমান্ড বলছে, আমরা নিরপরাধ জীবনের ক্ষতিকে ঘৃণা করি এবং তাদের নিরাপদ রাখার জন্য সমস্ত সম্ভাব্য ব্যবস্থা গ্রহণ করি। এক্ষেত্রে আমাদের নিজস্ব তদন্তে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রাণহানির জন্য সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা আমাদের।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ