আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) ছাত্রীকে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে মাদারীপুর র্যাব ক্যাম্পের এক উর্দ্ধতন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, শনিবার সংবাদ সম্মেলনে করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।
এর আগে গোপালগঞ্জ থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। সদরের বিভিন্ন জায়গা থেকে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রাজিউর রহমান জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী বুধবার রাতে জেলা প্রশাসন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নির্মাণাধীন ভবনে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন। বিষয়টি জানাজানি হলে শিক্ষার্থীরা হল থেকে বেরিয়ে আসেন। থানায় অভিযোগ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
ওই ছাত্রীর একাধিক সহপাঠী জানান, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নবীনবাগের হেলিপ্যাড এলাকায় দাঁড়িয়ে বন্ধুর সঙ্গে কথা বলছিলেন ওই ছাত্রী। ওই সময় এক অটোরিকশা থেকে নেমে সাত থেকে আটজন ছাত্র তাদের গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যায়। সেখানে বন্ধুকে মারধর করে ওই ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে তারা।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শীতল চন্দ্র পাল বলেন, প্রক্টরের অভিযোগ পাওয়ার পর পরই অভিযান চালিয়ে নবীনবাগ এলাকার পিয়াস সিকদার, কলোনির অন্তর জমাদ্দার ও জীবন জমাদ্দারকে আটক করেছে পুলিশ। আজ প্রক্টরের অভিযোগ মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হলে তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়। ঘটনায় জড়িত অন্যদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও জড়িতদের শাস্তির দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছে দুইদিন ধরে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসে জড়ো হয়ে মশাল মিছিল করেছে প্রায় ২ হাজার শিক্ষার্থী।
-এএ