আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ইসলামী ঐক্যজোটের মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দ বলেন, রাতের বেলার তামাশার ভোটে নির্বাচনই জুলুম, দুর্নীতিপূর্ণ দুঃশাসন, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিসহ সকল জনদূর্ভোগের কারণ।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবীতে যে আওয়ামী লীগ ১৭৩ দিন হরতাল ডেকেছিল, সেই আওয়ামী লীগ ভোটবিহীনভাবে ক্ষমতা দখল করে রাখার জন্য ক্ষমতায় এসে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রথা বাতিল করেছে। রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের কুখ্যাত ৯০বি ধারা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনের শর্ত ১২ (৩) এ ধারার মাধ্যমে নতুন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রায় দুঃসাধ্য করে তুলেছে।
মদের মত জঘন্য পাপের লাইসেন্স দেবার মাধ্যমে জনগণের চরিত্র ধ্বংসের ব্যবস্থা করছে। বাংলাদেশের পাঠক্রম থেকে ধর্ম শিক্ষাকে গুরুত্বহীন করার মাধ্যমে এদেশের মানুষের নৈতিকতা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের চেতনাকে বিপন্ন করে তুলছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে হাজার হাজার রাজনীতিবিদ-আলেম ওলামাদেরকে সরকার কারাবন্ধি করে রেখেছে। কারারুদ্ধ মজলুম মানুষের হাহাকার আল্লাহর গজবের কারণ হতে পারে।
নেতৃবৃন্দ নির্দলীয় সরকারের অধীনে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, রাজনৈতিক দল নিবন্ধন আইন বাতিল, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিসহ সকল জনদুর্ভোগ নিরসনও ধর্ম শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক ও মদের লাইসেন্স বাতিলসহ সকল জনদাবিতে তুমুল গণআন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
ইসলামী ঐক্যজোটের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মওলানা শওকত আমীন, পীর সাহেব, বি-বাড়ীয়ার সভাপতিত্বে ও জোটের মহানগর নেতা মাওলানা বরকতুল্লাহ’র পরিচালনায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় দলের মহাসচিব রফিকুল ইসলাম, কল্যাণ পার্টির নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলীসহ ২০ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ।
আরো বক্তব্য রাখেন ভাসানী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান মমতাজ চৌধুরী, বাংলাদেশ মুসলিম সমাজের চেয়ারম্যান মাসুদ হোসেন, গণমুক্তি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোনেম, জাস্টিস পার্টির চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মজুমদার, ইসলামি ঐক্যজোট নেতা মুফতী মুসা সিরাজী, জিয়া নাগরিক ফোরামের সভাপতি মিয়া মোঃ আনোয়ার, নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক মোঃ শামসুদ্দিন, কনজারভেটিভ পার্টির সভাপতি আনিছুর রহমান দেশ প্রমুখ।
-এটি