মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাসে ৭ মাসের ভর্তুকি একমাসে দিতে হয়েছে: গণপূর্তমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে ‎বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ‎ গওহরডাঙ্গা বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী ২০ সেপ্টেম্বর ৫ সেপ্টেম্বর জামিআ ইকরায় ‘খুতুরাতুত তাকফির’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ক্রস বর্ডার অ্যাডুকেশনে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী নাজমুল হুদা মজনুর একজোড়া কাব্য  জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও মূল্যস্ফীতি ইস্যুতে কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না: তারেক রহমানকে ট্রাম্প নিজের জীবনের পুরো সঞ্চয় দিয়ে মসজিদ নির্মাণ ৮৪ বছরের বৃদ্ধের

জাল জাতীয় পরিচয়পত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স চক্র: গ্রেপ্তার ৫

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: রাজধানীর মালিবাগ, বাসাবো, শাহজাহনপুর ও কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে গতকাল (সোমবার) পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। এরা একটি জালিয়াত চক্র। প্রতিদিন বিআরটিএ এবং নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে এরা টার্গেটে থাকত।

তারা মূলত জাল জাতীয় পরিচয়পত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স বানিয়ে দিত। তাদের প্রধান টার্গেট বাইক রাইডাররা।

এছাড়াও বিভিন্ন পেশার মানুষ, সন্ত্রাসীও এই চক্রের কাছ থেকে ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স সংগ্রহ করত বলে র‍্যাব প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে।

গ্রেফতার করা এই চক্রের সদস্যরা হলেন- গোলাম মোস্তফা (৬০), জালাল বাশার (৫৪), মুসলিম উদ্দিন (৬৫), মিনারুল ইসলাম মিন্নি (২২) এবং তারেক মৃধা (২১)।

তাদের গ্রেফতারের পর মঙ্গলবার কারওয়ানবাজারে এক সংবাদ সম্মেলন করেন র‍্যাবের মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। সেখানে এই চক্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘তারা এমনভাবে এসব কার্ড তৈরি করত, প্রাথমিকভাবে ধরার কোনো সুযোগ থাকত না।’

মঈন জানান, ‘গোলাম মোস্তফা এই চক্রের হোতা। গত এক যুগ ধরে তিনি এ ধরনের অপরাধমূলক কাজ করে আসছেন। এ ছাড়া এদের আরেক সক্রিয় সদস্য বর্তমানে ওমরা করতে দেশের বাইরে রয়েছেন।’

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এই চক্রের সদস্যরা প্রতিদিন বিআরটিএ এবং নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে থাকত এবং লোকজনকে ‘টার্গেট’ করে তাদের কারবার চালাত। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তারা প্রচার চালাত- তাদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড র‍্যাবের সাইবার মনিটরিং সেলের নজরে আসে। পরে অনুসন্ধান শুরু করে র‌্যাব। এরপর চক্রটিকে গ্রেফতারে মাঠে নামেন র‌্যাব সদস্যরা।

র‌্যাব কমান্ডার বলেন, ‘যারা দ্রুত চাইতেন, তাদের টার্গেট করে অবস্থাভেদে ৩ থেকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে জাতীয় পরিচয়পত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স দিত এই চক্রটি। অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারের বাইক চালকরা এই চক্রের প্রধান গ্রাহক।তাদের ফাঁদে পড়ে অনেকে প্রতারিত হলেও করার কিছু ছিল না। আবার অনেকে জেনে শুনে টাকা দিয়ে দ্রুত এসব জাল কাগজ সংগ্রহ করত।’

তিনি বলেন, গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে এসব কার্ড সরবরাহ করত চক্রটি। মাসে ৩০ থেকে ৫০টি ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স তারা সরবরাহ করে আসছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন গোলাম মোস্তফা।

আল মঈন আরও বলেন, গোলাম মোস্তফা এইচএসসি পাশ। তিনি এক্সরে মেশিনের টেকনিশিয়ান। ২০১০ সালের দিকে তিনি ‘প্রতারণার ব্যবসায়’ জড়িয়ে পড়েন।একই অপরাধে বহুবার তিনি জেলও খেটেছেন। চক্রের সদস্যদের কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ দিতেন তিনি। কয়েক বছর পরপর সদস্যদের পরিবর্তন করতেন মোস্তফা।’

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ